২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী অবিচ্ছিন্নভাবে ভুল করে চলেছেন আর সেই কারণেই মৌলিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কথার কথায় কোনও কাজ হয় না। সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লাদাখ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন রাহুল গান্ধী। পাশাপাশি ৩ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে আন্তর্জাতিক সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন একটি দেশ তার আন্তর্জাতিক ও প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে পারলে তবেই সুরক্ষিত থাকতে পারে। আন্তর্জাতিক ভ্রান্ত নীতির কারণেই মাথা তুলে দাঁড়াতে পেরেছে চিন।  কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ গত কয়েক বছর ধরে যা ঘটেছে তা দেশকে অশান্ত করে তুলেছে। 

রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন বলেন ভারতে কী এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যাতে চিন অগ্রাসী ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে। ভারতের বিরুদ্ধে চিন যুদ্ধ করার মত অগ্রাসী ভূমিকা কেন গ্রহণ করেছে বলেও তিনি প্রশ্ন করেন। পাশাপাশি রাহুল গান্ধী বলেন,  বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে ফাঁকা বুলি কোনও কাজ করে না বলেও মন্তব্য করেন রাহুল। 

রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যের পরই আসরে নামের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনিও রণক্ষেত্র হিসেবে বেছেনেন সোশ্যাল মিডিয়া। তিনি রাহুল গান্ধীর উদ্দেশ্যে বলেন আগে নিজেকে প্রশ্ন করার উচিৎ। তারপরই আন্তর্জাতিক নীতিতে ভারতে সাফল্যের কথায় তুলে ধরেন। তবে বিদেশ মন্ত্রী একটা নয় পরপর বেশ কয়েকটি  ট্যুইট করেন। 

সেখানে  তিনি বলেন বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলির সঙ্গে রীতিমত ভালো সম্পর্ক তৈরি করেছে ভারত। পাশাপাশি প্রতিবেশী আফগানিস্থান ভূটানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তারপরে বলেন পাকিস্তানের প্রসঙ্গে টেনে এলে জয়শঙ্কর বলেন বলেন সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় এয়ার স্ট্রাইকের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। পাশাশাপাশি নেপাল আফগানিস্তান  ভূটানের মত প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উন্নতির কথা তুলে ধরে রাহুল গান্ধীকে কোনঠাসা করতে উদ্যোগ নেন।