আজ সকাল ১০টায় প্রকাশিত হতে চলেছে ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস-এর চুড়ান্ত তালিকা। অসমের বৈধ নাগরিক কারা এবং কারাই বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীই বা কারা তা নির্ধারণ করতেই এনআরসি-র এই বিশেষ উদ্যোগ। অন্তত প্রায় ৪০ লক্ষ্য মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ হবে এই রিপোর্টের ভিত্তিতে। 

প্রসঙ্গত এনআরসির ফল প্রকাশের আগে কার্যত নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজ্য়। রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছে কয়েক হাজার নিরাপত্তা বাহিনী। অসমের উত্তরপূর্ব দিকের সুরক্ষাও যথেষ্ট আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। 

ইতিমধ্যেই এনআরসি-কে কেন্দ্র করে নানারকম ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। এনআরসি-র তালিকায় নাম উঠবে কিনা এই আতঙ্কেই আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন অনেকে। শুধু তাই নয় কয়েক সপ্তাহ আগের বন্যার জেরে যেসব মানুষ ঘর হারিয়েছেন তাঁদের অনেকেরই এনআরসি-র নথি জলে ভেসে গিয়েছে বলে জানা। ফলে অনেকেরই দাবি তাঁদের কাছে বৈধ কাগজপত্র নেই। 

স্ত্রীর নাম থাকবে কি এনআরসি তালিকায়, আতঙ্কে আত্মঘাতী স্বামী

আরও পড়ুন- এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার খবরে প্রাণ গেল এক মহিলার, তদন্তে উঠে এল রিপোর্ট ভুয়ো

আর এর ফলস্বরূপই এনআরসি-র খসড়া তালিকা থেকে থেকে বাদ পড়েছে প্রায় চল্লিশ লক্ষ মানুষ। তাদের মধ্যে ৩ লক্ষ ৯৬ হাজার মানুষ আবার আবেদনই জানাননি। নাম বাদের তালিকায় আছেন ১ লক্ষ ২ হাজার মানুষ। এন আিসর চুড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করার পর তাতে না থাকলেই  যে সেই ব্যক্তি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলে বিবেচিত হবেন এমনটা নয়। সেক্ষেত্রে আদালতই শেষ কথা বলবে। পাশাপাশি এই নিয়ে বৈদেশিক ট্রাইব্যুনালে আপিল করা যাবে। সেক্ষেত্রে আবেদনের সময়সীমা ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২০ দিন হয়েছে।