হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস অর্থাৎ এইচআইভি রোগগ্রস্ত হওয়ার আতঙ্কেই প্রাণ হারালেন এক মহিলা। নিজের শরীরে এইচআইভির মতো রোগ বাসা বেঁধেছে এই আতঙ্কে মানসিক আঘাত পেয়েই প্রাণ হারালেন এক মহিলা।কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশ্যে এল এক অদ্ভুত তথ্য। জানা গিয়েছে যে রিপোর্টের ভিত্তিতে তাঁর চিকিৎসা চলছিল সেই রিপোর্টেই রয়েছে গলদ। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি।

দুর্ভাগ্য়জনক এই ঘটনাটি ঘটেছে হিমাচল প্রদেশের সিমলায়ে। প্রসঙ্গত আট মাস আগেই বিয়ে হয় ওই মহিলার। গর্ভাধারণ সংক্রান্ত কিছু টেস্ট করার জন্য তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে তাঁকে সার্জারির জন্য সিমলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সূত্রের খবর, সেখানে ওই মহিলার এইচআইভি  রিপোর্ট দেখে তাঁর স্বামীকেও এইচআইভি পরীক্ষা করাতে বলা হয়। 

কার্যত এই গোটা বিষয়টি জানতে পেরেই অসুস্থ হয়ে রাতারাতি কোমায় চলে যান তিনি। কিন্তু এমন সময়ে ইন্দিরা গান্ধী মোডিকেল কলেজে ফের রক্ত পরীক্ষা করা হলে তাতে এইচআইভি-র কোনও লক্ষণই পাওয়া যায়নি। কিন্তু ততক্ষণে ওই মহিলার শারীরিক অবস্থার চরম অবণতি ঘটতে শুরু করে। এরপর মঙ্গলবা চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ারর মানসিক আঘাত সামলাতে না পেরেই মারা গিয়েছেন ওই মহিলা। 

আরও পড়ুন- এই মুহূর্তে দেশের সেরা দশ খবর, যাতে আপনাকে রাখতেই হবে চোখ

আরও পড়ুন -মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আত্মঘাতী পুলিশকর্মী, মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য

যে চিকিৎসক ওই মহিলার এইচআইভি সংক্রান্ত রিপোর্টটি প্রকাশ করেছিলেন তিনি অবশ্য এদিন নিজে মুখেই তা স্বীকার করেছেন। তাঁর কথায় প্রাথমিক পরীক্ষা-বনিরীক্ষার পর তিনি জানতে পেরেছেন তার সাপেক্ষেই মৃতার স্বামীকে এইচআইভি   পরীক্ষার কথা বলেন তিনি। এমনকী কোনও নার্সকেও সেই কথা জানাননি তিনি। তার রিপোর্টটি ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল সেন্টার- এর দ্বারা সুনিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। আশঙ্কা করা হচ্ছে তাঁর স্বামীর সঙ্গে কথোপকথনের সময়ে সেই কথা শুনে নিয়েছিলেন তিনি। আর তার জেরেই এই বিপত্তি।