অডিও ক্লিপ বিতর্কে আবারও কোপ পড়ল রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা লালুপ্রসাদ যাদবের ওপর। এবার তাঁকে ছাড়তে হল হাসপতাল পরিচালকের বাংলো। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠান হয়েছে হালপাতালের পেয়েইং ওয়ার্ডে। বেশ কয়েকটি রোগের চিকিৎসার জন্য লালুপ্রসাদ যাদবকে রাখা হয়েছিল রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব  মেডিক্যাল সায়েন্সে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হাসপাতাল পরিচালকের বাংলোতে রাখা হয়েছিল।

অডিও টেপ নিয়ে জলঘোলা বিহারের রাজনীতিতে, সত্যি কি লালু জেল থেকে বিধায়ক ভাঙাচ্ছেন ...

হাফিদ সইদকে নিয়ে লুকোচুরি খেলছে পাকিস্তান, বহাল তবিয়েতে ঘরেই কাটাচ্ছে কারাদণ্ডের মেয়াদ ...

রিমসের অতিরিক্ত পরিচালক ও ঝাড়খণ্ডের যুগ্ন স্বাস্থ্য সচিব ওঘমারে কৃষ্ণ প্রসাদ জানিয়েছেন, লালুপ্রসাদ যাদবকে বাংলো থেকে আজই পেইং ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। এক নম্বর পেয়িং ওয়ার্ডে রেখে তার চিকিৎসা চলছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে তাঁকে বাঁচানোর জন্য অগাস্ট মাসেই রিমসের পরিচালকের বাংলোতে পাঠান হয়েছিল। 

বিহার বিধানসভার স্পিকার নির্বাচনের প্রাককালে একটি ফোনকল ফাঁস হয়েছিল। যেটিকে হাতিয়ার করে বিজেপি লালু প্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল। বিজেপির অভিযোগ ছিল এনডিএতে ভাঙন ধরাতে চাইছেন লালুপ্রসাদ। তিনি আটক অবস্থায় থেকেই এনডিএ-র বিধায়কদের ভাঙাতে চাইছেন। স্পিকার নির্বাচনের আগে এনডিএ শিবিরের একাধিক বিধায়ককে ফোন করে অনুপস্থিতি থাকার আর্জি জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি মহাজোট সরকার গঠন করলে দলবদলকারী বিধায়কদের মন্ত্রীত্বের টোপও দিয়েছিলেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে হাসপাতাল থেকে লালুপ্রসাদ যাদবের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর পুত্র তেজস্বী যাদব এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন।