বিহার ভোটের ঠিক আগে, শনিবার, ভারতীয় জনতা পার্টির সাগঠনিক স্তরে বেশ কিছু বড় মাপের রদবদল করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। শীর্ষস্থানীয় পদ থেকে বেশ কিছু বড় মাপের নাম বাদ পড়ল। আবার নেতৃত্বে তুলে আনা হল বে কিছু নতুন মুখ। য়াদের অনেকেই, পার্টি সংগঠন বাড়াতে চাইছে এমন রাজ্যের নেতা। যেমন পশ্চিমবঙ্গ থেকে বড় পদ পেলেন মুকুল রায় এবং অনুপম হাজরা। নতুন প্রবক্তাদের মধ্যে নাম রয়েছে রাজু বিস্ত ও রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর-এর।-

সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাম মাধব, মুরলিধর রাও, অনিল জৈন এবং সরোজ পান্ডের মতো বিশিষ্ট নেতাদের। তাদের জায়গায় দুষ্যন্ত কুমার গৌতম, ডি পুরান্ডেশ্বরী, সিটি রবি এবং তরুণ চুগ-এর মতো নতুন মুখদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তরুণ সাংসদ তেজশ্বী সূর্য-কে বিজেপি যুব মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কে লক্ষ্মণ, জামাল সিদ্দিকী, লাল সিং আর্য এবং সমীর ওরাওঁকে যথাক্রমে ওবিসি মোর্চা, সংখ্যালঘু মোর্চা, এসসি মোর্চা এবং এসিটি ফ্রন্ট-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে যোদ দেওয়া মুকুল রায় পেয়েছেন জাতীয় সহ-সভাপতির পদ। তিনি ছাড়া রাধামোহন সিং, রেখা ভার্মা, অন্নপূর্ণা দেবী, ভারতী বেন শিয়াল, ডি কে অরুণা, এম চুবা আও এবং আবদুল্লা কুট্টি-কে নতুন জাতীয় সহ-সভাপতি করা হয়েছে। জাতীয় সাধারণ সম্পাদকে পদ পেয়েছেন আরও একজন তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে যোদ দেওয়া নেতা অনুপম হাজরা।

জাতীয় মুখপাত্র নিয়োগ করা হয়েছে ২৩ জন। এঁরা হলেন মধ্যে রাজীব চন্দ্রশেখর, রাজু বিস্ত, রাজীব প্রতাপ রুডি, অনিল বালুনি, সঞ্জয় ময়ুখ, সম্বিত পাত্র, সুধাংশু ত্রিবেদী, শাহনওয়াজ হুসেন, সঞ্জু ভার্মা, ইকবাল সিং লালপুরা, রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর, অপরাজিতা সারঙ্গি, হিনা গাভিত, গুরুপ্রকাশ, এম কিকন, নূপুর শর্মা, কে কে শর্মা প্রমুখ।