তৃণমূল কংগ্রেস ও অন্যান্য দল থেকে গত কয়েকদিনে পশ্চিমবঙ্গে এক ডজনেরও বেশি বিধায়ক ও সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাতে কি বাড়ছে তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি? শনিবার, এই সব নেতা-নেত্রীদের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ভিআইপি সুরক্ষা দেওয়া হল। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্মকর্তারা। জানা গিয়েছে, এঁদের উপর হামলার ঝুঁকি মূল্যায়ন করেছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। তাদের সুপারিশ অনুযায়ীই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই সুরক্ষাদানের বিষয় অনুমোদন করেছে।

তবে এই নেতানেত্রীরা প্রত্যেকেই নিচু স্তরের কেন্দ্রীয় ভিআইপি সুরক্ষার আচ্ছাদন পেয়েছেন। কয়েকজনকে দেওয়া হয়েছে 'ওয়াই' বিভাগের ভিআইপি নিরাপত্তা, বাকিরা পেয়েছেন 'এক্স' ক্যাটেগরির। কেন্দ্রীয় শিল্প সুরক্ষা বাহিনী বা সিআইএসএফ (CISF) এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব নেবে। পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে চলাচলের ক্ষেত্রেই তাঁরা এই সুরক্ষা পাবেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এই ভিআইপি সুরক্ষা ব্যবস্থা আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের সময় রাজনীতিবিদদের সুরক্ষার বিষয় মাথায় রেখে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা অবশ্য অস্থায়ী। নির্বাচন পর্বের পর এই বিষয়টি ফের পর্যালোচনা করা হবে।

এদিন পশ্চিমবঙ্গের যে নেতানেত্রীরা কেন্দ্রীয় সুরক্ষা পেলেন, তাঁরা হলেন - সিপিএম থেকে বিজেপি-তে যোগ দেওয়া তমলুকের বিধায়ক অশোক দিন্দা, হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মন্ডল, কংগ্রেস থেকে বিজেপি-তে আসা পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্য়ায়, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কাঁথি উত্তর আসনের বিধায়ক বাঁশরি মাইতি, গাজোলের বিধায়ক দীপালি বিশ্বাস, বালির বিধায়ক তথা প্রাক্তন ক্রিকেট প্রশাসকের জগমোহন ডালমিয়ার কন্যা বৈশালী ডালমিয়া, মন্তেশ্বরের বিধায়ক  সৈকত পাঁজা, কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু এবং ব্যারাকপুরের বিধায়ক শিলভদ্র দত্ত।