টানাটানির বাজার, এই অবস্থায় এক জনের খরচ চালানোই দুষ্কর। তারমধ্যে যদি খরুচে পাঁচ-পাঁচজন স্ত্রী থাকে, তাহলে অবস্থাটা যে কী দাঁড়ায় তা দেখা গেল ভোপালে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স  ৫০ জনের বেশি মহিলাকে চাকরির মিথ্যা টোপ দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে ভোপালের একটি গ্যাঙ-কে গ্রেফতার করেছে। এই গ্যাঙ মহিলাদের ভোপালের এইমস হাসপাতালে নার্সের চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে তাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করত বলে অভিযোগ। একের পর এক এই ধরণের অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ এই গ্যাঙের নেতা, জব্বলপুরের বাসিন্দা দিলশাদ খানকে গ্রেফতার করে। আটক করা হয় তার ডানহাত অলোক কুমারকেও।

আর এই গ্যাঙ লিডার দিলশাদকে জেরা করেই আশ্চর্যজনক তথ্য পেয়েছে পুলিশ। দিলশাদ জানিয়েছে তার পাঁচ স্ত্রী রয়েছে। আর এই পাঁচ স্ত্রী-এর ভরণ-পোষণ সামলাতে গিয়েই সে প্রথম এই প্রতারণার পথে পা বাড়ায়। তার এক স্ত্রী জব্বলপুরে একটি বেসরকারি ক্লিনিক চালান। আর অলোক  কুমারের স্ত্রী সরকারি মেয়েদের হোস্টেলের সুপারিন্টেডেন্ট।

এই দুই মহিলা প্রতারণার মামলায় সরাসরি যুক্ত না হলেও তদন্তের স্বার্থে এঁদেরও জেরা করা হবে। পুলিশ জানিয়েছে দিলশাদরা, শিক্ষিতা, কাজের দরকার এইরকম মহিলাগদেরই নিশানা করত। কোন কোন গ্রাম বা শহরের মহিলাদের তারা নিশানা করত, এখন সেই খোঁজ চালাচ্ছে এসটিএফ।