উত্তরপ্রদেশের হামিরপুরে এক সদ্য বিবাহিত তরুণী স্বামীর সঙ্গে থাকতে অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, বাড়ির চাপে তাঁকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি অন্য একজনকে ভালোবাসেন।

উত্তরপ্রদেশের হামিরপুরে এক অবাক করা ঘটনা। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে থাকতে অস্বীকার করলেন এক নতুন বউ। তাঁর সাফ কথা, বাড়ির লোক জোর করে বিয়ে দিয়েছে, তিনি আসলে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে থাকতে চান। মঙ্গলবার রাতে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ি আসার পরেই ওই তরুণী বেঁকে বসেন। তিনি বাসর রাতে স্বামীর সঙ্গে থাকতে রাজি হননি এবং ভোর হতেই সোজা থানায় চলে যান।

জানা যাচ্ছে, পুলিশ এবং পরিবারের সদস্যদের তিনি বলেছেন, “বাড়ির চাপে আমাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি আমার স্বামীর বদলে প্রেমিকের সঙ্গে থাকতে চাই।”

এই ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্বামীর ঘর করতে রাজি না হওয়ায় ওই তরুণীকে তাঁর শাশুড়ি মারধর করছেন।

Scroll to load tweet…

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর করে বিয়ে এবং পারিবারিক চাপ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এক ইউজার লিখেছেন, “আমার তো মনে হয় মেয়েটিকে ওর বাড়ির লোক জোর করেছে। তাই ওকে মারধর করাটা কোনও সমাধান নয়। ওকে ওর বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া উচিত এবং বরের বাড়ির সমস্ত খরচ ও মানসিক হয়রানির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।”

Scroll to load tweet…

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “এটাই তো নারী ক্ষমতায়ন। ও যেটা ঠিক মনে করেছে, তার জন্য লড়ছে। স্বামী বা প্রেমিককে धोका না দিয়ে ও নিজের মনের কথা বলেছে। এতে ভুল কোথায়?”

Scroll to load tweet…