বিহার বিধানসভার দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ১০টি রাজ্যের উপনির্বাচন ছিল মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ। করোনা মহামারির মধ্যে এটাই ছিল প্রথম ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। তবে গত ২৮ অক্টোবর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায় অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দফায় ১৭টি জেলার ৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়।সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত ৫৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 


বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার, উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল, বিরোধী শিবিরের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তেজস্বী যাদব, লোক জনশক্তি পার্টির প্রধান চিরাগ পাসোয়ান ভোট দিয়েছেন। প্রথম ও দ্বিতীয় দফা মিলিয়ে ২৪৩ আসনের বিহার বিহার বিধানসভায় অধিকাংশ আসনেই ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।  সকাল সাতটা থেকে শুরু হয় ভোট গ্রহণ। সন্ধ্য ৬টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া।  শেষ এক ঘণ্টা নির্ধারিত ছিল করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন চলাকালীন এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তৃতীয় দফার জন্য প্রচার করেন। প্রধানমন্ত্রী দুটি সভায় কড়া ভাষায় আক্রামণ করেন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর জনসভায় ছিল উপছে পড়া ভিড়। আর মহামারির মধ্যে জনসভায় আসার জন্য অনুগামীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। 

এদিন বিহারের পাশাপাশি দেশের ১০টি রাজ্যের ৫৪টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। যার মধ্যে নজরকাড়া ছিল মধ্য প্রদেশের ২৮টি আসন। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বিধায়কদের নিয়ে দলবদল করায় মাত্র ১৫ মাসের মধ্যেই ভেঙে যায় কমল নাথের সরকার। আর সেই কারণেই আকলেই ২৮টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্য প্রদেশে। মধ্যে প্রদেশে সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত ৬৬.২৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। নাগাল্যান্ডে ভোট পড়েছে ৮৭.১ শতাংশ ভোট পড়েছে। কর্ণাটকে ভোট পড়েছে ৩৯.১৫ শতাংশ। হরিয়ানায় ৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বিকেল ৪টে পর্যন্ত।