স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বদলা নিতে চান স্ত্রী  ভোটে স্বামীকে হারাতে মরিয়া স্ত্রী বিহার ভোটে সামনে আসছে নতুন নাটক রাই বনাম যাবদদের যুদ্ধ দেখা যেতে পারে   

বিহার নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিহার নির্বাচনের নিয়ম নীতি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তারই মধ্যে জমে উঠেছে ফ্যামেলি ড্রামা। বিহারের মহুয়া বিধানসভা আসনটি ঘিরে আবারও প্রকাশ্যে আসতে চলেছে আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ ও তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ সগযোগী চন্দ্রিকা রাইয়ের পারিবারিক যুদ্ধ। বাবা নীতিশের দলে যোগ দেওয়ার এক দিন পরই যাবদ পরিবারের বিরুদ্ধে হুংকার ছেড়েছেন মেয়ে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চন্দ্রিকা রাই আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন বর্তমান বিহারে লালুপ্রসাদ যাদবের প্রধান প্রতিপক্ষ নীতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেডে। রাজনৈতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন মেয়ের তোলা অভিযোগের বদলা নিতে তিনি আর পিছপা হবে না। চন্দ্রিকা রাইয়ের মেয়ে ঐশ্বর্য মহুয়া আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন বলেই শোনা যাচ্ছে। একটি সূত্র বলছে এই আসন থেকে আরজেডির হয়ে ভোট ময়দানে নামতে পারেন লালুপ্রসাদের বড় ছেলে তথা ঐশ্বর্যর স্বামী তেজ প্রতাপ। 

বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে স্বামী বিচ্ছিন্না ঐশ্বর্য মহুয়া আসনে স্বামীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দীতা করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। বর্তমানে এই কেন্দ্রের বিধায়ক তেজপ্রতাপ। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই আসনটিকে ঐশ্বর্যর প্রতিদ্বন্দীতা করা মানে আবারও যাদব পরিবারের অন্দরের কথা সামনে আসা। আর সেটিকেই হাতিয়ার করে ভোটে জিততে চাইছে নীতিশের দল। 


তেপ প্রতাপ ও এশ্বর্যর বিয়ে হয়েছিল ২০১৮ সালে। মাত্র ৬ মাস তাঁরা বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ ছিলেন। কারণ ৬ মাস পরই তেজপ্রতাপ বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। পাল্টা ঐশ্বর্যের পক্ষ থেকে জানান হয়েছিল শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন রাইয়ের পরিবারের সদস্যরা। মেয়ের প্রতি এককালের সহকর্মী লালুপ্রসাদ যাদবের পরিবারের সদস্যদের এহেন আচরণে রীতিমত বীতশ্রদ্ধ হয়েই দল ছাড়েন চন্দ্রিকা। তারপরই যোগ দেন লালুর প্রতিপক্ষ শিবিরে। আর ভোট যুদ্ধে মেয়েকে জিতিয়ে যাবদ পরিবারকে যোগ্য জবাব দিতে চান তিনি। পাশাপাশি যাদব পরিবারকে উচিৎ শিক্ষা দেওয়ার সুযোগ ছাড়তেও নারাজ রাই পরিবারের সদস্যরা। তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন চন্দ্রিকা।