বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২০ হল কংগ্রেসের আরও একটি ফ্লপ সো। বিহারের নির্বাচনে তেজস্বী যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে কংগ্রেস। কিন্তু ফল প্রকাশের প্রথম থেকেই প্রকট হচ্ছিল কংগ্রেসের দুর্বলতা। তার ৭০টি আসনে লড়াই করেছে কংগ্রেস। আর তারমধ্যে মাত্র ১৮টি এগিয়ে রয়েছে তারা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিহার রাজনীতিতে গুঞ্জন যে যোগ্যাতার থেকে বেশি আসন দেওয়া হয়েছিল কংগ্রেসকে। কারণ মহাজোটের বাকি দলগুলি এখনও পর্যন্ত হতাশ করেনি তেজস্বীকে। 

বিহার ১৪৪টি আসনে লড়াই করেছে তেজস্বীর রাষ্ট্রীয় জনতা দল। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নির্বাচনী কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আরজেডি এগিয়ে ছিল ৬৭টি আসনে। একটি আসনে জয় হাসিল করেছিল। অন্যদিকে বামদলগুলি এগিয়ে রয়েছে ১৯টি আসনে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আরজেডির ঘনিষ্ট নেতা কর্মীরা বলতে শুরু করছেনে যে কংগ্রেসকে যদি আরও কম আসন দেওয়া হত তাহলে তেজস্বীর দিকেই পাল্লা বেশি ঝুঁকত।  কংগ্রেসের টিকিটে দাঁড়িয় এখনও পর্যন্ত পিছিয়ে রয়েছেন শক্রুঘণ সিনহার ছেলে লব সিনহা। পিছিয়ে রয়েছেন শরদ যাদবের কন্যা সুভাষিনী যাদব। গত লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল আরজিডি। কিন্তু ৩৯টি লোকসভা আসনের মধ্যে মাত্র একটিতে জিতেছিল কংগ্রেস। আরজেডি কোনও আসনে জিততে পারেনি। তাই অনেকটাই পিছিয়ে থেকে লড়াই শুরু করেও বিহারের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হতে চলেছে আরজেডি। পিছনে ফেলে দিয়েছে নীতিশ কুমারের জেডিইউকে। 
 

বিহারের সাংসদ নাসির হুসেনের কথায় রাহুল গান্ধীজি রাজ্যজুড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি কংগ্রেস। দলের সংগঠেনের ওপর জোর দেওয়ার কথাই বলেছেন তিনি। পাশাপাশি বিহারের বিশেষজ্ঞদের কথায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প এখনও পর্যন্ত কেউ হয়ে উঠতে পারেননি। কংগ্রেস এখানেও  বিরোধীদলের মর্যাদা জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়েছে।