বিহারের রাজনীতি উড়ান নিয়েছিলেন তেজস্বী যাদব। কারণ তিনিই বিহারের বিজেপি এবং নীতিশের জেডিইউ জোটের প্রধান বিরোধী মহাগঠবন্ধন জোটের মুখ্যমন্ত্রী পদপার্থী। মাত্র ৩১ বছর বয়েসেই চুলে পাক ধরার আগেই বিহারের রাজনীতির হাল ধরেছিলেন তিনি।  আর এমন একজন মানুষের জনপ্রিয়তা এত দূরই ছড়ায় যে, মোস্ট এলিজিবল ব্য়াচেলর হিসেবে তেজস্বী যাদবের জন্য ৪৪ হাজার সুন্দরীদের বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল।

 

আরও পড়ুন, ভয়াবহ পথ-দুর্ঘটনায় স্ত্রী-মেয়ের মৃত্যু, তীব্র ব্যথা পেয়েও হার মানেননি বাইডেন

 

 

বিহারের ৪৪ হাজার সুন্দরী বিয়ে করতে চায় তেজস্বীকে

প্রসঙ্গত, তেজস্বী যাদবকে যিনি রাজনীতির আঙিনা এনেছেন, তিনি তাঁর বাবা আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব। সব দিক থেকেই সোনায় সোহাগা। সূত্রের খবর,  মোস্ট এলিজিবল ব্য়াচেলর হিসেবে তেজস্বী যাদবের জন্য ৪৪ হাজার সুন্দরীদের বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল। একেতো মাত্র ২৭ বছর বয়েসেই বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী। এমন একজন মানুষকে সুন্দরীরা যে হৃদয়ের মধ্যে রেখে দিয়েছিলেন তা বলাইবাহুল্য। 

 

 

আরও পড়ুন, 'ফ্য়াসিস্ট কে-দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে আপনার বস', তেজস্বীকে আক্রমণ নুসরতের

 


সরকারি অভিযোগ জানানোর নাম্বারেই  তরুণীরা মনের কথা জানাল
 

তবে মেয়েদের মনে তিনি জায়গা করেছিলেন অনেক কাছাকাছি। তার অন্যতম কারণ, তিনি বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সরকারি আধিকারিকদের দুর্ব্য়াবহার, রাস্তা খারাপ সহ যে কোনও অভিযোগ জানাতে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্য়ে একটি হোয়াটসঅ্য়াপ চালু করেন। পূর্ত দফতরের অধীনেই এই হোয়াটসঅ্য়াপ নম্বর পরিচালিত হত। আর এখানেই ঘটে গিয়েছে উলটপূরাণ। অভিযোগ আসার বদলে এসেছে  তেজস্বী যাদবের জন্য বিয়ের প্রস্তাব। সরকারি হিসেবে মোট ৪৪ হাজার তরুণী নিজেরদের ছবি আপলোড করে বিহারের   মোস্ট এলিজিবল ব্য়াচেলকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। শুধু প্রস্তাব নয়ই, বলতে বায়োডাটা-ছবির সঙ্গে নাম- জাতি-বর্ণ এমনকি ফিগারের বর্ণনাও দিয়েছিলেন বিহারের তরুণীরা। সেই জনপ্রিয়তা আজও প্রমাণ দিচ্ছে ভোট বাক্সে। বিজেপি-জেডিইউকে সমানে টক্কর দিচ্ছে আরজেডি।