কথা রেখেছে বিজেপি। রবিবার এনডিএ-র বৈঠকে নীতিশ কুমারকেই বিহারের পরবর্তী মুখ্যমনত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে পাটনার রাজভবনে, রাজ্যপাল ফাগু চৌহানের উপস্থিতিতে চতুর্থবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন তিনি। কিন্তু, আগের তিনবারের মতো এইবারের সরকারকে নীতিশ সরকরা আদৌ বলা যাবে কিনা, তাই নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নামেই নীতিশ মুখ্যমন্ত্রী, সরকার চালাবে াসলে বিজেপিই।

দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর সাঁড়াশি

রবিবার থেকেই জল্পনা চলছিল, বিহারে এবার দুজন উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। আর সেই দু'জনই হবেন বিজেপি শিবির থেকে। কাটিহার-এর চারবারের বিধায়ক তারকিশোর প্রসাদকে বিজেপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা হিসাবে ঘোষণা করেছে। আর বেতিয়ার বিধায়ক রেনু দেবীকে করা হয়েছে তাঁর সহকারী। এদিন এই দুই নেতাকেই বিজেপি উপ-মুখ্যমন্ত্রী করতে চলেছে বলে স্পষ্ট আভাস দিয়েছেন স্বয়ং তারকিশোর প্রসাদ। তিনি জানিয়েছেন দলের পক্ষ থেকে তাঁকে এইরকমই ইঙ্গিত দিয়েছে।

বাড়ছে বিজেপির মন্ত্রীও

শুধু দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর সাঁড়াশি নয়, নীতিশ কুমারকে এবার আগের থেকএ অনেক বেশি বিজেপি মন্ত্রীদের নিয়েই চালাতে হবে মন্ত্রিসভা। এনডিএ সূত্রের খবর, ৪৩ বিধায়কের দল জেডি (ইউ) পেতে চলেছে ১২ টি মন্ত্রীর আসন। আর ৭৪ বিধায়কে বলিয়ান বিজেপি-র থেকে মন্ত্রী হবেন সম্ভবত ১৮ জন। এছাড়া এনডিএ-র আরও দুই শরিক, বিকাশশীল ইনসান পার্টি (ভিআইপি) এবং হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (হ্যাম), যারা উভয়ই ৪টি করে আসনে জয়ী হয়েছে, তাদের দুই দলকেই একটি করে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হবে।

বিজেপি নির্বাচনের আগে থেকেই বলেছিল, নীতিশ কুমারকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হবে। তবে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর জোটের ভারসাম্য অনেকটাই বদলে গিয়েছে। নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জেডি (ইউ) এখনও জোটে বিজেপির থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। তাই বিজেপি ২ উপমুখ্যমন্ত্রী এবং ১৮ জন মন্ত্রীকে নিয়ে তিনি কীভাবে সরকার চালান, সেটাই এখন দেখার।