৭ নভেম্বর বিহার বিহার বিধানসভার তৃতীয় দফার নির্বাচন। শেষ পর্যায়ের নির্বাচনে সরকার ও বিরোধী দুই শিবির যতটা সম্ভব ভোট ঘরে তুলতে মরিয়া রয়েছে। তৃতীয় দফার নির্বাচনে ভাগ্য পরীক্ষা হবে ১,২০৭ জনের। পূর্ববর্তীয় দুটি দফায় এনডিএ-র সঙ্গে মূলত লড়াই ছিল তেজস্বী যাদবের মহাজোটের। কিন্তু তৃতীয় পর্যায়ে লড়াই হবে ত্রিমুখী। নীতিশ না তেজস্বী- কার ভোট ভাগ বসাবেন চিরাগ পাসোয়ান? সেটাই এখন দেখার বিষয়। উল্টে মহাজোটের আরজেডি, বাম, কংগ্রেস প্রার্থীদেরও মোকাবিলা করতে হবে। 


তৃতীয় দফায় ১৫ টি জেলার ৭৮টি আসনে ভোট গ্রহণ হবে।অধিকাংশ এলাকাই মুসলিম ও দলিত অধ্যুসিত। এখানে সরকার ও বিরোধী দুই পক্ষকেই লোকজনশক্তি পার্টির পাশাপাশি মোকাবিলা করতে হবে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এআইএমআইএমএর সঙ্গে। মায়াবতীর বহুজন সমাজও এখানে প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে ভোট ময়দানে রয়েছে  উপেন্দ্র কুশওয়াহার আরএলএসপি। শেষ দফার নির্বাচনে অস্তিত্ত্বের লড়াই বামেদেরও। তৃতীয় দফায় সবথেকে বেশি আসনে ভোট পরীক্ষা দিতে হবে জেডিইউকে। জেডিইউ-র প্রার্থী সংখ্যা ২৮। আরজেডির ২০ বিজেপির ১৯ কংগ্রেসের ১০।  বাকিরা লড়াই করছে ৫টি কেন্দ্রে। 


তৃতীয় দফার নির্বাচবে ১০ আসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর যেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আসনগুলি হলে রাক্সুল, সিকটা। পারিহার, হারলাখি, জালি, বিনিপাট্টি, কসবা ইত্যাদি। এই দশটি আসনের মধ্যে ৬টিতেই রয়েছে বিজেপি প্রার্থী।   পাশাপাশি যেসব আসনে বিজেপি প্রার্থী দেয়নি সেগুলিতে বিজেপির ভোট কোন দিকে যায় সেটাই দেখার। কারণ অনেকগুলি আসনেই নীতিশ কুমারের দলকে মোকাবিলা করতে হবে চিরাগ পাসেয়ানের এলজেপির সঙ্গে। ১০টি হট সিটের মধ্যে রয়েছে বাম কংগ্রেস আরজেডির প্রার্থীরাও। 

অন্যদিকে করোনা আবহে ভোট নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তৃতীয় দফার নির্বাচন যে ১৫টি জেলায়  হচ্ছে তারমধ্যে ৫ জেলা বিহারের করোনা আক্রান্তের ক্রম তালিকায় ১০ মধ্যে রয়েছে। যা নিয়ে কিছুটা হলেও উদ্বেগ রয়েছে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে। করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থবিধি মেনে ভোট করাটাই এখন কার্যত মূল লক্ষ্য তাঁদের কাছে।