শপথের আগেই নীতিশ কুমারের মন্ত্রিসভায় নক্ষত্র পতনের ঘটনা ঘটল। এবার আর নীতিশ কুমারের ডেপুটি হিসেবে দেখতে নাও পাওয়া যেতে পারে বিজেপি নেতা সুশীল মোদীকে। বিহার বিধানসভায় বিজেপির নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে কাটিহারের  বিধায়ক তারকিশোর প্রসাদকে। তিনি সম্ভবত বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী  হতে চলেছেন। বিজেপি নেত্রী রেণুদেবীর নাম নিয়েও চলছে জল্পনা। গত বিধানসভাতেই বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলে ছিলেন বিজেপি নেতা সুশীল মোদী। 


কেন নীতিশ কুমারকে সরিয়ে দেওয়া হল তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি তিনি। তবে তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারকিশোরকে। আর বলেছেন দলের সর্বসম্মতি ক্রমে তিনিই নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, পাশাপাশি তাঁর ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টি ও সংঘপরিবারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আর বলেছেন দল তাঁকে যে কাজ দেবে তা নিয়ে পালন করে যাবেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন কেই তাঁর দলেপ কর্মীর পদ কাড়তে পারবে না। হিন্দিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বার্তা দিয়েছেন। এদিনও বিহারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজনাথ সিং গেলে তাঁকে স্বাগত জানান সুশীল মোদী। উপস্থিত ছিলেন দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে। নীতিশ কুমারের বাসভবনের বৈঠকেও তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিলেন। বিহারে বিজেপির জয়ে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 

বিহার বিধানসভায় দ্বিতীয় বৃহত্তম দল বিজেপি। ভোটের আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন বিহার বিজেপির প্রথম স্তরের নেতা। নির্বাচনী রণকৌশল থেকে প্রার্থী বাছাই সবেতেই তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু তারপরেও কেন এই ছন্দপতন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেন। কিন্তু সুশীল মোদী সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে সেই বিতর্ক এড়িয়ে গেছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিহার বিজেপিও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানায়নি।