শনিবার বেলা ১টা থেকেই স্বাভাবিক হবে ভূবনেশ্বর বিমানবন্দর, এমনটাই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় শুক্রবার। ফণী-র মুখে পড়ে কোনও বড় দূর্ঘটনা এড়াতে সর্বদা প্রস্তুত ছিল প্রশাসন। বন্ধ করা হয়েছিল বিমান পরিষেবা। শুক্রবার নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই ওড়িশার সীমানায় ঢুকে পড়ে ফণী। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট থেকে চালায় তাণ্ডব। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভেঙে পরে টাওয়ার, উড়ে যায় মাথার ওপর ছাদ। তবে এতো ছিল ধুলোয় ঢাকা ওড়িশার ছবি। ঝড় থামার পর শান্ত হলে একে একে বাড়তে থাকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা। রাতের অন্ধকারে চলে উদ্ধার কাজও। কিন্তু ওড়িশার আসল ছবিটা ধরা দেয় শনিবার সূর্যের আলো ফোটার পর। পরিষ্কার হয়ে ওঠে বর্তমানে কতটা অসহায় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে সেখানে।

কথা ছিল শনিবার বিজু পট্টনায়ক বিমানবন্দর সচল হবে। কিন্তু বিমানবন্দরের অন্দরমহলের যে রূপ সকালে দেখা গেল তাতে কিভাবে সম্ভব তা সচল করা সেই নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কর্তৃপক্ষের কপালে। নেই কোনও প্রতীক্ষালয়, নেই মাথার ওপর ছাদ, এমনকি সামনের নেম প্লেটের কাঁচগুলোও ঝড়ের বেগে ভেঙে পড়ে কাল সকালে। যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ভেঙে পড়া প্লাই, কাঁচ, ও প্লাস্টিক টুকরো।

একই ছবি দেখা গেল রেল স্টেশনেও। ভেঙে পড়েছে সাইনবোর্ড, সামনে পড়ে আছে গাছ, তার ছিঁড়ে বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ। ফলেই ফণী-র ঝড় মিটলেও সমস্যা মিটল না সাধারণ মানুষের। যদিও পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করায় তৎপর ওড়িশা সরকার। সহযোগীতার আশ্বাস জুগিয়েছে কেন্দ্রও।