মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হতেই শিবসেনার সাহায্য ছাড়া যে বিজেপির  সরকার  গড়তে পারবে না, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এই চিত্র স্পষ্ট হতেই শিবসেনা মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে। যার জেরে শনিবারও  মহারাষ্ট্রের সরকার গঠনের কোনও জট খুলল না। অন্যদিকে শিবসেনার বিজেপির ওপর ক্ষোভ খানিকটা উসকে দিয়ে কংগ্রেস ও এমসিপি পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। কংগ্রেস ও এমসিপির বার্তায় ব্যাপক ক্ষেপেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সুধীর মুনগানতিওয়ার জানিয়েছেন,  বাঘ কখনও  যেমন ঘাস খায় না। তেমনি শিবসেনা কখনও কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাবে না। 

বিজেপি নেতা মুনগানতিওয়ার জানিয়েছেন, আমরা নিশ্চিত দীপাবলির পর উদ্ধব ঠাকরে কোনও একটা সমাধান বের করতে পারবেন। দীপাবলির পর উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, চন্দ্রকান্ত পাতিল, আলোচনা শুরু হবে। কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, সেই বিষয়ে ওই আলোচনা থেকে সমাধান সূত্র বের হবে। কোনও দল থেকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করা হবে না। জোটের তরফে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার ওপর ভিত্তি করে গড়ে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করা হবে।  এরপরেই কংগ্রেস ও এনসিপির পাশে থাকার আশ্বাসকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, বাঘ কখনও ঘাস খায় না। শিবসেনা ও বিজেপি একসঙ্গে লড়াই করেছে, মহারাষ্ট্রে ভালো ফলাফল করেছে, একসঙ্গে সরকার গঠন করবে। 

মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বিজেপির শিবসেনা প্রয়োজন। আর এটা বুঝতে পেরেই সরব হয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে। সোজা জানিয়ে দিয়েছেন, আর উপমন্ত্রীর চেয়ারে সন্তুষ্ট থাকবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারের জন্য সরব হয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে। শুধু তাই নয় পঞ্চাশ-পঞ্চাশ সমীকরণ মেনে সরকার গঠনেরও দাবি করেন তিনি। এই বিষয়ে বিজেপির কাছ থেকে লিখিত আশ্বাস চেয়েছেন। তাতেই বেজায় চাপে পড়েছে বিজেপি। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে অমিত শাহের মতো শীর্ষ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বরা নীরব অবস্থান বজায় রেখেছেন।