শীতকালানি অধিবেশন চলছে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায়। আর সখানেই ঘটে গেল এক অদ্ভুত কাণ্ড। খোদ দলের বিরুদ্ধে ধরনায় বসলেন এক বিজেপি বিধায়ক। লোনির বিজেপি বিধায়ক নন্দকিশোর গুর্জরের অভিযোগ বিধানসভায় তাঁকে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্য সরকারের এই ধরণের আচরণে তিনি অপমানিত। আর সেই কারণে নিজের সরকারের বিরুদ্ধেই ধরনায়  বসলেন এই বিজেপি বিধায়ক। 

বিধায়ক নন্দকিশোর গুর্জরের সঙ্গে এই ধরনায়  অংশ নেন ১০০ বেশি বিধায়ক। যাদের মধ্যে রয়েছেন ৬০জন বিজেপি বিধায়কও। এছাড়াও ধর্নায় সামিল হন সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি এবং কংগ্রেস বিধায়করাও।

গুর্জরের অভিযোগ, তিনি বারবার কথা বলতে চাইলেও তাঁকে থামিয়ে দেন স্পিকার হৃদয় নারায়ণ দিক্ষিত। ক্ষমতাশীল দলের বিধায়ক হওয়ার পরেও এই ধরণের ব্যবহারে তিনি চরম অপমানিত বলে জানান গুর্জর। নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিধানসভা থেকে ওয়াকআইট করা সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস বিধায়করাও সমর্থন জানান গুর্জরকে। 

দলীয় বিধায়কের এহেন আচরণের কথা স্বীকার করেছে বিজেপি মুখপাত্রও। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী সুরেশ খান্নাকে বিষয়টি সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

রাজ্যের সঙ্গে গুর্জরের দূরত্ব বাড়তে শুরু করে চলতি মাসের শুরুতেই। শহরের একটি রেস্তোরাঁ লাইসেন্স বাতিল করা নিয়ে আশুতোষ সিং নামে এক ফুড ইন্সপেক্টরকে চড় মেরে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন গুর্জর।