সেলিব্রিটিদের টুইট তদন্ত করে দেখার কথা বলেছেন মহারাষ্ট্র সরকার। আর তাতেই মহারাষ্ট্র বিকাশ আগাড়ি সরকারকে এক হাতে নিলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে বলেন, দেশভক্তদের বিব্রত করা- মহারাষ্ট্র বিকাশ আগাড়ি সরকারের এটাই রোল মডেল। পাসাপাশি তিনি বলেন, বিদেশ থেকে আগত নৈরাজ্যবাদীদের হৈহট্টোগোল, যা ভারতকে খারাপ প্রতিপন্ন করতে উদ্যোগী হয় তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না। কিন্তু যারা প্রকৃত দেশপ্রমিক ভারতীয় তাদের হয়রানি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আর কী কী কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে সেটাকেই তারা অগ্রাধিকার দেয়। এটাই তাদের মানসিকতা বলেও নিন্দা করেন তিনি। 


মার্কিন পপস্টার রিহানা দিল্লির আন্দোলনকারী কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপর থেকেই ভারতীয় সেলিব্রিটিরা ঐকতার কথা বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছিলেন। অভিনেতা অক্ষয় কুমার অজয় দেবগন থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটার শচিন তেন্ডুলকর, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী লতা মঙ্গেশকরও সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভারত ও ভারত বিরোধী প্রচারের না করার জন্য সওয়াল করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

এবার আতস কাচের তলায় অক্ষয়-অজয়ের মত সেলিব্রিটিদের টুইট, 'চাপ' কিনা জানতে তদন্ত ...

রাজ্যসভায় কৃষি আইন নিয়ে মনমোহনকে ঢাল , আলোচনার জন্য তৈরি বলেও কৃষকদের বার্তা মোদীর ...
প্রথম থেকেই কংগ্রেস এই জাতীয় টুইটের বিরোধিতা করে আসছে। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল বিজেপির চাপে পড়েই এজাতীয় টুইট করেছেন ভারতীয় সেলিব্রিটিরা। তাই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সোমবার মহারাষ্ট্র সরকার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। মহারাষ্ট্রের স্বারাষ্ট্র মন্ত্রী অনিল দেশমুখ জানিয়েছেন, রাজ্যের সংস্থাই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। কংগ্রেস নেতা শচিন সাওয়ান্তের অভিযোগ বিজেপির চাপের কারণেই সেলিব্রিটিরা রিহানার টুইটের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় সেলিব্রিটিরা টুইট করেছেন। তাঁর কথা একাধিক সেলিব্রিটির টুইটের ভাষা ছিল এক। দুএকজন সেলিব্রিটির বয়ানও সম্পূর্ণ এক ছিল। এটা কী করে সম্ভব বলেও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তবে মহারাষ্ট্র সরকারের এই পদক্ষেপ যে বিজেপি ভালোভাবে নেয়নি তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন জেপি নাড্ডা। 

​​​​​​​