Captain Smit Machchhar: মারাত্মক বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে, নিজে গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও যাত্রীদের বাঁচাতে অসীম সাহস দেখিয়েছেন তিনি। তাঁর এই সাহসিকতার জন্যই শত শত মানুষের প্রাণ বেঁচেছে, এড়ানো গেছে বড়সড় বিপদ। ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। কী বললেন তিনি? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Captain Smit Machchhar: ফ্লাই দুবাইয়ের বিমানে কো-পাইলটের হামলা রুখে দিয়ে বড়সড় বিপদ এড়িয়েছেন ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার। এবার তাঁর এই সাহসিকতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (X) প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘’ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার একজন সত্যিকারের হিরো এবং তাঁর এই কাজের জন্য গোটা ভারত আজ গর্বিত।''
প্রধানমন্ত্রী তাঁর পোস্টে আরও জানান, মারাত্মক বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে এবং নিজে গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও যাত্রীদের বাঁচাতে অসীম সাহস দেখিয়েছেন স্মিত। তাঁর এই সাহসিকতার জন্যই শত শত মানুষের প্রাণ বেঁচেছে, এড়ানো গিয়েছে বড়সড় এক দুর্ঘটনা। ক্যাপ্টেন মাচ্ছারকে নিয়ে ভারত গর্বিত। তিনি যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, সেই প্রার্থনাই করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই ক্যাপ্টেনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। স্মিত মাচ্ছারের অসীম সাহসের কথা তুলে ধরে নেতানিয়াহু তাঁকে 'আসল হিরো' বলে উল্লেখ করেছিলেন।
গত কয়েকদিন আগে ফ্লাই দুবাইয়ের FZ 1073 বিমানটি দুবাই থেকে ইজরায়েলের তেল আভিভ যাচ্ছিল। মাঝ আকাশে সেই বিমানের ককপিটেই ঘটে যায় এক হাড়হিম করা ঘটনা। বিমানটি ওড়ার কিছুক্ষণ পরেই কো-পাইলট আচমকা ক্যাপ্টেনের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। কিন্তু বিমানের নিয়ন্ত্রণ না হারিয়েই পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ক্যাপ্টেন স্মিত। এরপর যাত্রীরা ককপিটে ঢুকে ক্যাপ্টেনকে উদ্ধার করেন এবং হামলাকারীকে আটকে ফেলেন। ওই বিমানেই ছুটি কাটাতে যাওয়া কয়েকজন পাইলট ছিলেন। তাঁরাই এরপর বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করান।
জানা গেছে, ওই বিমানে মোট ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন, যাঁদের বেশিরভাগই ইজরায়েলের নাগরিক। ককপিটে যখন ধস্তাধস্তি চলছে, তখন মাত্র দু'মিনিটের মধ্যে বিমানটি ১৭,৪০০ ফুট নিচে নেমে আসে। এর মধ্যেই বিমান থেকে হাইজ্যাকের আন্তর্জাতিক ইমার্জেন্সি কোড বা বিপদবার্তা পাঠানো হয়। বিমানটি ছিনতাই হয়েছে ভেবে ইজরায়েলি সেনা যুদ্ধবিমানও পাঠিয়ে দেয়। যদিও এই ঘটনা নিয়ে ফ্লাই দুবাই কর্তৃপক্ষ এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তারা শুধু জানিয়েছে, বিমানটি সৌদি আরবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং যাত্রীরা সবাই নিরাপদে আছেন। তবে ইজরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির এই ঘটনাকে সরাসরি 'জঙ্গি হামলা' বলে দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিমানটি ভেঙে ফেলে ইজরায়েলি নাগরিকদের খুন করার ছক কষেছিল ওই জঙ্গি।


