এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া একটি ফ্লাইটং ট্রেনিং অর্গানাইজেশন বা FTO নীতি নিয়ে এসেছে। যেখানে বিমানবন্দরের  ব়য়্যালটি ধারনাগুলি বিপুপ্ত করা হয়েছে। বিমান বন্দরের জমির ভাড়াও আগের তুলনায় কমিয়ে অনেকটা সাধ্যের মধ্য়ে আনা হয়েছে। 

দেশে পাইলটের (Pilot) ঘাটতি মেটাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছেন কেন্দ্রীয় সরকার (Central Govt.)। বৃহস্পতিবার একটি প্রশ্নের উত্তরে তেমনটাই জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী তথা প্রাক্তন জেনারেল ভিকে সিং (VK Singh)। তিনি বলেছেন, প্রশিক্ষণে ব্যবস্থা বাড়ানোর জন্য বেশ বিমানবন্দরে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ব্যবস্থা করা হয়েছে বিমানেও। সেগুলি হল-

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

 এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া একটি ফ্লাইটং ট্রেনিং অর্গানাইজেশন বা FTO নীতি নিয়ে এসেছে। যেখানে বিমানবন্দরের ব়য়্যালটি ধারনাগুলি বিপুপ্ত করা হয়েছে। বিমান বন্দরের জমির ভাড়াও আগের তুলনায় কমিয়ে অনেকটা সাধ্যের মধ্য়ে আনা হয়েছে। 

এয়ারপোর্ট অথারিটি অব ইন্ডিয়া ২০২১ সালের ৩১ মে ও ২৯ অক্টোবর এই ব্যবস্থা কার্যকর করার পাঁচটি বিমানবন্দরকে পুরষ্কৃত করেছে। সেগুলি তৈরি হয়েছে কর্নাটকের বেলগাভিতে দুটি, মহারাষ্ট্রের জলগাঁওতে দুটি, কর্নাটকের কালবুরাগিতে দুটি, মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহে দুটি স্থাপিত হয়েছে। অসমের লীলাবাড়িতে একটি তৈরি হয়েছে। 

ডিসিজিএ ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে কার্যকরী এয়ারক্রাফ্ট রক্ষণাবেক্ষণ ইঞ্জিনিয়ার ও ফ্লাইংক্রু প্রার্থীদের অনলাইন অন ডিমান্ড পরীক্ষা চালু করেছে। যারমাধ্যমে প্রার্থীরা নিজেদের ইচ্ছেমত পরীক্ষার স্টল তৈরি করতে পারে। পরীক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমত পরীক্ষার সময় ও তারিখ নির্বাচন করতে পারে। এটি এখনও পর্যন্ত কেবলমাত্র টিফ ফ্লাইং চিফ ফ্লাইট ইন্টট্রাক্টর বা ডেপুটি সিএফআই-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। 

ভারতের বৃহত্তম ফ্লাইং একাডেমি, রয়েছে উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে- ইন্দিরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় উড়ান অ্যাকাডেমি। এটিকে মাহারাষ্ট্রের গোন্দিয়া ও কালবুরগি উড়ানের সময় ও বিমানের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারণ শীতের মরশুমে কম দৃশ্যমানতার কারণে প্রশিক্ষণ ব্যহত হয়। 

সেই কারণেই ইন্দিরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় উড়ান অ্যাকাডেমি শীতের মাসগুলিতে সাপ্তাহিত ছুটির দিব ও অন্যান্য সব ছুটির দিনে কাজ করে। ২০২১ সালে এই ফ্লাইং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ১৯ হাজার ১৯ ঘণ্টা উড়ান প্রশিক্ষণ দিয়েছে। যা ২০১৯ সালের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি।