মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রতিবাদী কৃষকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে কৃষি আইন নিয়ে অচলাবস্থার সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপরই ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত জানিয়েছিলেন বুধবারের নির্ধরিত ষষ্ঠ দফার আলোচনা বাতিল হয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে বুধবার প্রতিবাদী কৃষকদের কাছে একটি খসড়া প্রস্তাব পাঠালো কেন্দ্র।  এবং কৃষকরা কেন্দ্রের খসড়া প্রস্তাব নিয়ে বৈঠক করবেন।

এদিন দুপুরে সিংঘু সীমান্তে অবস্থানরত কৃষক নেতাদের কাছে ভারত সরকারের কাছ থেকে একটি খসড়া প্রস্তাব আসে। কৃষকরা জানিয়েছেন, সেই প্রস্তাব নিয়ে সংঘবদ্ধ কিষাণ মোর্চার ব্যানারে থাকা ৩২ টিরও বেশি কৃষক সংগঠনের নেতারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবেন।

জানা গিয়েছে, বুধবার কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কৃষকদের যে খসড়া প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে এমএসপি বা ন্যূনতম সমর্থন মূল্যের বিষয়ে লিখিত আশ্বাস দেওয়া হবে। কেন্দ্র আরও জানিয়েছে যে দেওয়ানী আদালতে আপিলের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে আইনটি সংশোধন করা হবে। সেইসঙ্গে বেসরকারী মান্ডিগুলির নিবন্ধন এবং সেগুলিকে এপিএমসির মতো একই সেস বিভাগে রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন - কুতুব মিনারের ভিতরেও কি মন্দির, দিল্লির প্রসিদ্ধ স্থাপত্যে চাওয়া হল 'পূজার অধিকার'

আরও পড়ুন - রাম মন্দির নিয়ে বড় খবর - ২৫ ডিসেম্বর আসছে গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট, কবে শুরু হবে নির্মাণ

আরও পড়ুন - খোলা ময়দানে হবে মুখ্যমন্ত্রীর বিচার - ভারতের রাজনীতিতে 'বিপ্লব' ঘটালেন অভিমানী বিজেপি নেতা

তবে খসড়া প্রস্তাবটিতে বিদ্যুৎ-এর পেমেন্ট কাঠামোর কোনও পরিবর্তনের কথা বলা হয়নি। সেইসঙ্গে কৃষি আইনগুলি বাতিলের বিষয়ে কোনও উল্লেখ করা হয়নি। তাই কৃষকরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। ২০ পৃষ্ঠার সেই খসড়া প্রস্তাবে কেন্দ্র, কৃষকদের সংগঠনগুলিকে 'কৃষকদের আত্মমর্যাদার জন্য' তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করার আহ্বানও জানিয়েছে।