চিন এখন সরকারিভাবে ভারত এবং সকল ভারতীয়দের শত্রু। সোমবার রাতে লাদাখ সীমান্তে চিন ভারত সংঘর্ষের পর এমনটাই জানালেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর।

গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে লাদাখে চিন ও ভারতীয় সেনার মধ্যে উত্তেজনার পরিবেশ চলছে। তবে একসপ্তাহ আগেই দুই দেশের লিউটেনেন্ট জেনারেল স্তরে বৈঠকের পর দুই দেশই লাদাখের গ্যালওয়ান উপত্যকা থেকে সেনা সরাতে সম্মত হয়েছিল। এর মধ্যে বিভিন্ন স্তরে দুই পক্ষের বাহিনীর মধ্য়ে বেশ কয়েকটি আলোচনাও হয়। কিন্তু, সোমবার রাতে হঠাতই ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। দুই দেশের সেনাবাহিনী হাতাহাতিতে,দুই দেশের বাহিনীরই বেশ কয়েকজনের হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি এক সেনাকর্তা ও আরও দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে চিনের দাবি তাদেরও ৫ সেনাসদস্যের মৃত্যু হয়েছে।  

এরপরই এদিন সকালে একটি টুইট করে রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর বলেন, এই হিংসাত্মক সংঘর্ষ 'কমরেড শি জিনপিং', 'চিনা কমিউনিস্ট পার্টি' ও 'পিপলস লিবারেশন আর্মি'-র পক্ষ থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল।     তিন ভারতীয় সেনা জওয়ানের মৃত্যুর পর চিন এবং 'চিনা কমিউনিস্ট পার্টি' এখন সরকারিভাবে ভারত ও ভারতীয়দের শত্রু। সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও মহিলাদের সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করার জন্য তিনি সমস্ত ভারতীয়দের ধৈর্যশীল ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আবেদন করেছেন। তিনি আরও বলেন 'চিনা কমিউনিস্ট পার্টিকে অবশ্যই অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে পরাজিত করতে হবে'।

এই মুহূর্তে অর্থনৈতিক দিক থেকে চিন বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দেশ। তাদের জিডিপি ২৭.৩১ ট্রিলিয়ন ডলারের। অন্যদিকে ভারত রয়েছে পাঁচ নম্বরে। ভারতের জিডিপি ১০.৫১ ট্রিলিয়ন। সামরিক দিক থেকেও যুদ্ধাস্ত্রে এগিয়ে চিনই। তবে ভারত চাইলে অসাধ্য সাধন করতেই পারে।