- Home
- India News
- বিমানে ছিল না কোনও ব্ল্যাক বক্স, প্রকাশ্যে এল ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার চাঞ্চল্যকর তথ্য
বিমানে ছিল না কোনও ব্ল্যাক বক্স, প্রকাশ্যে এল ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার চাঞ্চল্যকর তথ্য
ঝাড়খণ্ডে রাঁচি থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ভেঙে পড়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো জানতে পেরেছে যে, বিমানটিতে কোনও ব্ল্যাক বক্স ছিল না এবং এটি চার বছর ধরে অব্যবহৃত ছিল।

ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। আর ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেই হাতে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভেঙে পড়া ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ছিল না কোনও ব্ল্যাক বক্স। শুধু তাই নয়, চার বছর ব্যবহার করা হয়নি ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স।
প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই ঘটেছিল দুর্ঘটনা। তবে, ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে, তা নিয়ে এখনও চলছে তদন্ত।
প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় ঝাড়খণ্ডে রাঁচি থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স জঙ্গলে ভেঙে পড়েছে। বিমানটিতে মোট সাতজন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে চাতরা জেলার সিমারিয়া থানা এলাকার করমতান্দ গ্রামের কাছে।
জানা গিয়েছে, বিমানটি রাঁচি বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পরেই এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (ATC)-এর সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সোমবার সন্ধে সাতটা বেজে ১১ মিনিটে রওনা হয়। সন্ধে সাতটা বেজে ৩৪ মিনিটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার আগে পর্যন্ত কলকাতার এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।
রাঁচি বিমানবন্দরের ডিরেক্টর এই দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, চাতরার কাছেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ভেঙে পড়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
আগেই দুর্ঘটনার জন্য খারাপ আবহাওয়াকেই দায়ী করছে রাঁচি বিমানন্দরের ডিরেক্টর বিনোদ কুমার। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তদন্ত। তদন্ত করছে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। তদন্তে জানা যায়, ভেঙে পড়া ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ছিল না কোনও ব্ল্যাক বক্স। শুধু তাই নয়, চার বছর ব্যবহার করা হয়নি ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স।

