আদালতে যাওয়ার পথে তীব্র ট্রাফিক জ্যামে আটকে গিয়েছিল তাঁর গাড়ি। আর তাতেই ভয়ঙ্কর রেগে গেলেন বিহারের কাটিহারের এক বিচারক। রাগের বহিপ্রকাশ ঘটল আরও সাংঘাতিকভাবে। অভিযোগ তাঁরই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীর উর্দি ছিঁড়ে দিয়েছেন ওই বিচারক।

কাটিহারের সহায়ক থানায় ওই পুলিশ কর্মী হরিবংশ কুমার এই বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি বিচারক প্রদীপ কুমার মল্লিক তাঁর বাড়ি থেকে আদালতে যাওয়ার পথে মির্চাইবাড়ি চকের কাছে বিশাল ট্রাফিক জ্যামের কবলে পড়েন। তাতেই মেজাজ হারান তিনি। গাড়িতেই ছিলেন হরিবংশ। বিচারকের রাগ গিয়ে পড়ে তাঁর উপর। রাগের চোটে হরিবংশকে তিনি চড় থাপ্পর মারেন এবং তারপরই টেনে তাঁর উর্দি ছিঁড়ে দেন। আদলতে পৌঁছনো পর্যন্ত গোটা রাস্তাই নানাভাবে ওই পুলিশ কর্মীকে নাকাল করেন। জানা গিয়েছে এতটাই ভয়ানক মূর্তি ধারণ করেছিলেন ওই বিচারক, যে প্রাণভয়ে হরিবংশ কুমার পালিয়ে গিয়ে কালেক্টরেটে গিয়ে লুকোতে বাধ্য হন।

স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা ভালভাবে নেয়নি পুলিশ কর্মীদের সংগঠন। তাঁরাই হরিবংশকে বিচারক প্রদীপ কুমার মল্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ দেন। তবে হরিবংশ অভিযোগ জানানোর পরই আদালতের এক কর্মী এসে থানায় উপস্থিত হন। হরিবংশের বিরুদ্ধে বিচারকের হয়ে তিনি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ওই নিরাপত্তা কর্মীই বিচারকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। বিচারকের কক্ষে ঢুকে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটান হরিবংশ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর এই বিষযে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।