লকডাউনের চতুর্থ পর্বের শেষ দিনেও রীতিমত রেকর্ড তৈরি করল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী  গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ১৯৩ জনের। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৫,১৬৪। গত দুমাস ধরে করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে গোটা দেশ। তাই লকডাউনকে হাতিয়ার করেই করোনার বিরুদ্ধে চলছে লড়াই। আর চতুর্থ লকডাউনের শেষ মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়াল। 

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৮০ জন। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১লক্ষ ৮২ হাজার ১৪৩ জন। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮৬ হাজার ৯৮৪ জন। 

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের তালিকায় এখনও প্রথম স্থান ধরে রেখেছে মহারাষ্ট্র। আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ হাজারেরও বেশি। এই রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে, ২১৯৭ জনের। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। আক্রান্তের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। তৃতীয় স্থানে দিল্লি। আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ। চতুর্থ স্থানে রয়েছে গুজরাত। এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজারেরও বেশি। তবে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই রাজ্যে মৃত্যুর হার অনেকটাই বেশি। করোনা সংক্রমিত হয়ে গুজরাতে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০০৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এদিনই রেকর্ড সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। আগামিকাল থেকে শুরু হচ্ছে লকডাউন ৫.০। তবে সেক্ষেত্র কিছুটা করেও শিথিল করা হয়েছে লকডাউনের নিয়ম। ধীরে ধীরে আর্থনৈতিক কার্যকলাপ চালু করার দিকেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। এই পরিস্থিতিতে মন কি বাত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন বলেছেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশই তিনি কর্মক্ষেত্র ও যানবাহনে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার দিকেও জোর দিয়েছেন।