হার্ড ইমুউনিটি এদেশে সম্ভব নয়কারণ উপযুক্ত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নেই দেশে সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারগোষ্ঠী সংক্রমণের দাবি উড়িয়ে দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক  

হার্ড ইমিউনিটি ভারতের মত বিশাল দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোখার বিকল্প হতে পারে না। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে তেমনই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ছাড়েয়ে যাওয়ার পরেও গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়েছে বলে স্বীকার করতে নাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ভারতের মত দেশে করোনাভাইরাসের প্রতিরোধে জন্য হার্ড ইমুউনিটি কখনই কোনও বিকল্প হতে পারে না। প্রতিষেধক বা টিকাদানের মাধ্যমেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ভেঙে দেওয়া যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

Scroll to load tweet…

হার্ড ইমুউনিটি হল, যখন পর্যাপ্ত মানুষ সংক্রমিত হয়ে রোগের বিস্তার বন্ধ করতে সক্ষম হয়। এটি প্রাকৃতিকভাবে বা একটি প্রতিষেধকের মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে। 

কেন্দ্রীয় সরকারের অধিকর্তা রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন প্রতিষেধক ছাড়া হার্ড ইমিউনিটির মাধ্যমে করোনাভাইরাসকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা ভারতের মত দেশের পক্ষে অত্যান্ত ব্যায়বহুল। তাঁর কথায় ভারতের জনসংখ্যা ১৩৮ কোটি। কিন্তু হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করতে হলে কোটি কোটি মানুষকে অসুস্থ হতে হবে। কিন্তু সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য দেশে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। আর তাই তাতে অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিষয়টি মাথায় রেখেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনই এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে না বলেও স্পষ্ট করে দেন আধিকারিক।

Scroll to load tweet…


অন্যদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ১৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। দৈনিক আক্রান্তেরও প্রায় ৫০ হাজারের কাছা কাছি। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও স্বাস্থ্য মন্ত্রক স্পষ্ট করে দিয়েছে দেশে এখনও পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘটেনি। মন্ত্রকের কথায কয়েকটি পকেটে গোষ্ঠী সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিচিতদের সনাক্ত করা যাচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।