করোনা-কালে প্রায় ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে ভারত। তেমনই দাবি জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর কথার রেশ টেনেই বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০টি দেশে প্রায় ২৩ মিলিয়ন করোনাভাইরাসের ডোজ সরবরাহ করেছে ভারত। যার মধ্যে কিছুটা রয়েছে অনুদান আর কিছুটা বাণিজ্যিক  সরবরাহ। বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে আগামী সপ্তাহে আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলিতেও করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক সরবরাহ করা হবে। 

২১ জানুয়ারী থেকে শুরু হয়েছিল ভ্যাকসিন মৈত্রী। তাতে প্রতিবেশী দেশগুলির পাশাপাশি জমিনিকার মত ছোট দেশগুলিতেই ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বহু দেশ। করোনা-কালে যখন প্রায় গোটা বিশ্বজুড়ে অচলাবস্থা চলছিল সেই সময়ও উদ্ধারকাজে ত্রাতার ভূমিকা গ্রহণ করেছিল ভারত। 

 

বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে মোট সরবরাহের মধ্যে ৬.৪৭ মিলিয়ন ডোস অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে। আর ১৬.৫ মিলিয়ন ডোজ বিক্রি করা হয়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিকে প্রথম প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছিল। ভ্যাকসিন কূটনীতিতে ভারতে এগিয়ে দিয়েছে কোভিশিল্ড। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার বিকাশ করা এই প্রতিশেধক তৈরি করেছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। এ চিন এখনও পর্যন্ত শুধু পাকিস্তান আর নেপালকে প্রতিষেধক দিয়েছে। 


বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিন সরবরাহের উদ্যোগটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ধীরে ধীরে দেশের সংখ্যা আরও বাড়ান হবে। আগামী দিনে আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, ক্যারিকোম ও প্যাসিফিক দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দেশে টিকা সরবরাহ করা হবে। তবে দেশের চাহিদা মেটার পরই বিদেশে টিকা সরবরাহ করা হবে বলেও জানিয়েছেন অনুরাগ শ্রীবাস্তব।