বর্তমান বিশ্বের একটা জ্বলন্ত সমস্যা করোনাভাইরাস।প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের থেকেই বেশি সমস্যা তৈরি করেছে এই জীবানু। যুদ্ধ চলাকালীন ও যুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব অনেকটাই বদলে গিয়েছিল। করোনার আগে পৃথিবী যেমন থেকে পরবর্তীকালে বিশ্বের সেই চরিত্র আর থাকবে না। বদলে যাবে গোটা বিশ্বই। বর্তমানে গোটা বিশ্বই অনেক আশা-আকাঙ্কা আর সম্নান নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী ও বিজ্ঞানীদের দিকে। আমাদের আশা তাঁরা জয় পাবেনই। সোমবার সকালে আবারও করোনা যোদ্ধাদের হয়ে সরব হলেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

কর্নাটকের রাজীব গান্ধি হেল্থ সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫তম বার্ষিকী উজ্জাপনের অনুষ্ঠান ছিল। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার সকালে সেই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, করোনাভাইরাস প্রত্যেক মানুষের কাছেই অদৃশ্য শত্রু। কিন্তু আমাদের করোনা যোদ্ধারাও অপরাজেয়। কারণ তাঁরাও ক্রমাগত এই ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। 

গোটা বিশ্বই সকলের যত্ন ও নিরাময় চাইছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ভারত স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর ভরসা করেই করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক আর নার্সরাই আমাদের প্রথম সারির যোদ্ধা। কিন্তু তাঁদের কোনও সৈনিকের পোষাক ছাড়াই তাঁরা রয়েছেন লড়াইয়ের ময়দানে। মোদী বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কোনও করোনা যোদ্ধার অসম্মান, অবমাননা বরদাস্ত করা হবে না। করোনা যোদ্ধাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অভদ্র আচরণ না করার পরামর্শই দিয়েছেন তিনি। 

গত দুমাস ধরে করোনাভাইরাসের মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ভারত।  সোমবার আক্রান্তের সংখ্যা ১লক্ষ ৯০ হাজারের বেশি। বাড়াছে মৃতের সংখ্যাও। এদিন থেকেই শুরু হয়েছে পঞ্চম পর্বের লকডাউন। কিন্তু প্রথম থেকেই প্রধানমন্ত্রী করোনা যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ডাক্তার নার্সা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্থ সকল কর্মীদের। পাশাপাশি করোনা যোদ্ধা হিয়েবে চিহ্নিত করা হয়েছে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও। যাঁরা ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে মারাত্মক ছোঁয়াছে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে। এই আবহে দাঁড়িয়ে দেশের একাধিক জায়গায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নিগৃহীত হতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত দেশবাসীকে নিরাপত্তা দিতে কঠোর আইন আনা হয়েছে। তারপরেও এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বার্তা যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।