বাংলার পর এবার ঘূর্ণিঝড়ের রক্তচক্ষুর সামনে মহারাষ্ট্র ও গুজরাত। আরব সাগরে  তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ কিছুটা হলেও গতি বাড়িতে আছড়ে পড়তে পারে উত্তর মহারাষ্ট্র ও দক্ষিণ গুজরাত উপকূলে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

সপ্তাহখানের আগেই সুপার সাইক্লোন আমফান আছড়ে পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গের দিঘা উপকূলে। তার কিছুদিন পরই আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিলআরব সাগরে ঘনীভূত হচ্ছে একটি নিম্নচাপ। যেটি শক্তিবাড়িয়ে আগামী ৩ জুন আছড়ে পড়তে চলেছে মহারাষ্ট্র ও  গুজরাত উপকূলে। তবে আগামিকাল থেকেই মহারাষ্ট্র ও গুজরাত উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়ে যেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 


মুম্বইয়ের আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ পূর্ব এবং পূর্ব মধ্য আরব সাগরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়েই নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়েছে। এটি মধ্য ট্রপোস্ফোয়ারিক স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত বলেও জানান হয়েছে। 

আর এই ঘূর্ণিঝড়ে ও নিম্নচাপের হাত ধরেই দেশে বর্ষা আসার রাস্তা সুগম হবে বলে মনে করা হয়েছে। আর এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

সূত্রের খবর ৩১ মে ও পয়লা জুন কেলর লাক্ষাদ্বীপ কর্নাটকের উপকূলবর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানান হয়েঝে কোঙ্কন ও গোয়া উপকূলে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। 

আগামী তেশরা ও চৌঠা জুন বেশকিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। যারমধ্যে রয়েছে দক্ষিণ গুজরাত, গোয়া, দমন, দিউ, দাদরা, নগর হাভেলির মত এলাকা।