পর পর ২দিনে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়িয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৮,৩৯২ জন। ফলে বর্তমানে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৫৩৫।

 

 

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২৩০ জনের। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫,৩৯৪। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে এখনও পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন ৯১,৮১৯ জন। ফলে বর্তমানে দেশে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩,৩৩২২।

গত সপ্তাহে টানা কয়েকদিন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়ে যায়। পরে তা ৭ হাজার ছাড়াতে শুরু করে। আর রবিবার একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে যায় ৮,৩৮০। সোমবারও দেশে আক্রান্তের সংখ্যা থাকল ৮ হাজারের উপরে। সেই সঙ্গে গোটা বিশ্বে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার নিরিখে জার্মানি ও ফ্রান্সকে পেছনে ফেলে সপ্তম স্থানে উঠে এল ভারত।

এদিকে দেশে চতুর্থ দপার লকডাউন শেষ হয়েছে রবিবার। সোমবার ১ জুন থেকে শুরু হয়েছে আনলক ১। ঠিক এই পরিস্থিতিতেই ক্রমেই বাড়ছে করোনার চোখ রাঙানি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষায় ভারত করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে ইতালির পরেই বিশ্বের মধ্যে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষায় গোটা পৃথিবীতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। তারপরেই রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ব্রিটেন, স্পেন ও ইতালি। সপ্তম স্থানে রয়েছে ভারত।

এদিকে করোনা সংক্রমণে এখনও দেশের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ২,২৮৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমণের শিকার হয়েছে ২,৪৮৭ জন। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যেই প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা। ইতিমধ্যে রাজ্যটিতে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার হয়েছে ৪৩৮ জন। তার ফলে গুজরাতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। রাজধানী দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার ১,২৯৫ জন। ফলে দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯,৮৪৪।

দেশে চতুর্থ দফার লকডাউন শেষে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে আনলক. ১। ধীরে ধীরে লকডাউন থেকে বেরিয়ে এসে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে দেশজুড়ে। তবে তারই মধ্যে রোজ করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু বেড়ে চলার পরিসংখ্যানে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। যদিও ভারতে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হার গোটা বিশ্বের তুলনায় সবচেয়ে কম ২.৯ শতাংশ বলে দাবি করছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।