বৃহস্পতিবার ভোরে জাপানের টোকিও থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ বিমানে ভারতে ফিরিয়ে আনা হল ১১৯ জন ভারতীয় এবং ৫ জন বিদেশী নাগরিককে। এরা প্রত্যেকেই  নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিচ্ছিন্ন করে রাখা জাপানি প্রমোদ তরণী ডায়মন্ড প্রিন্সে আটকে পড়েছিলেন। ১৯৯ জন ভারতীয়ের পাশপাশি শ্রীলঙ্কা, নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং পেরুর মোট ৫জন-কেও সেখান থেকে উদ্ধার করে এনেছে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি।

এক টুইট পোস্টে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এই খবর দিয়ে এয়ারইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ-কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জাপানি কর্তৃপক্ষকেও সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। এদিন ভোর ৫টা নাগাদ দিল্লি এসে পৌঁছায় এয়ার ইন্ডিয়ার এই বিশেষ বিমান।

এই প্রমোদ তরণীর এক প্রাক্তন যাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে প্রমাণিত হয়। তারপরই আরও কারা কারা আক্রান্ত তা যাচাই করার জন্য গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এই জাহাজটিকে জাপানের কাছে মাঝ সমুদ্রেই বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। মোট ৩৭১১ জন আরোহী আটকে পড়েছিলেন। তারমধ্যে ১৩২ জন ভারতীয় ক্রু সদস্য এবং ছয় জন ভারতীয় যাত্রী আছেন। তাদের মধ্যে মোট ১৬ জনের দেহে করোনভাইরাসের উপস্থিতি আছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাদের আপাতত জাপানেই থাকতে হবে।

আরও পবড়ুন - করোনাভাইরাসের গ্রাস, বাতিল হতে পারে টোকিও অলিম্পিক

আরও পড়ুন - বাধা কাটিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি উহানের পথে বায়ুসেনার বিমান, চিনে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২,৬০০

আরও পড়ুন - দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, ইতালি-তে না যাওয়াই ভালো, সতর্ক করল কেন্দ্রীয় সরকার

এই মাসের শুরুতেই ভারত তার চিনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ৬৮০ জন নাগরিককে ফিরিয়ে এনেছিল দেশে। এই উহান থেকেই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। এখনও পর্যন্ত মোট ৩৭ টিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮০,০০০ এরও বেশি। গত তিন মাসে ২,৬০০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে এই রোগে, যার বেশিরভাগই চিনের নাগরিক।