করোনার এপি সেন্টার চিনের উহানে এখনও আটকে রয়েছেন বহু ভারতীয়। তাদের ফিরিয়ে আনতে ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ গ্লোবমান্টারের উহানে যাওয়ার কথা ছিল গত ২০ ফেব্রুয়ারি। ১৭ ফেব্রুয়ারি এমনটাই ঘোষণা করেছিল ভারত সরকার। কিন্তু সেই বিমানটিকে সবুজ সংকেত দিতে ইচ্ছে করে দেরি করছে চিন। এমন অভিযোগ উঠেছিল প্রতিবেশী দেশটির বিরুদ্ধে। অবশেষ সব বিতর্কের অবসান হয়েছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে প্রায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া উহানে মেডিক্যাল সামগ্রী পৌঁছে দিতে রওনা দিচ্ছে বায়ুসেনার ওই বিশেষ বিমান। আর ২৭ ফেব্রুয়ারি উহানে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিয়ে বিমানটি দেশে ফিরবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। 

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সফরের দ্বিতীয় দিনেও থমথমে দিল্লি, নতুন করে উত্তেজনা মৌজপুর ও ব্রহ্মপুরীতে

স্বাস্থ্যমন্ত্রক তাদের দেওয়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, "বিদেশমন্ত্রক সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বায়ু সেনার বিমান বিমানটি ২৬ ফেব্রুয়ারি উহানে পৌঁছবে এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশে ফিরবে।"

এর আগে অভিযোগ উঠেছিল অন্যান্য দেশের উদ্ধারকারী বিমানকে নিজেদের ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি দিলেও ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানতে আকাশপথের সীমানা ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে না চিন। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছিল চিনা প্রশাসন। 

আরও পড়ুন: ডাক পেলেন না সনিয়া, ট্রাম্পের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজ বয়কট কংগ্রেসের

সি-১৭ গ্লোবমান্টার ভারতীয় বায়ুসেনার বৃহত্তম বিমান। উহানে আটকে পড়া বাদবাকি ভারতীয়দের পাশাপাশি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির নাগরিকদের এই বিমানে করে ফিরিয়ে আনার কথা। এর আগে এয়ার ইন্জিয়ার ২টি বিমানে করে উহানে আটকে পড়া ৬৪৭ জন ভারতীয়কে দেশে  ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। 

 

 

এদিকে চিনে করোনায় সংক্রমণের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সোমবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিনা ভূখণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ৭১ জনের। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৬৬৩। চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৫০৮ জনের শরীরে। এরমধ্যে হুবেই প্রদেশেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪০৯ জন।