দেখতে দেখতে দেশের রাজধানী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২হাজার ৯৪৮ জন। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষের। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়া। তিনি বলেছেন, জুলাই মাসের শেষে দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ লক্ষে গিয়ে দাঁড়াবে। সেই সময় আক্রান্ত মানুষদের নিয়ে খুবই সমস্যা হবে। কারণ এত মানুষের চিকিৎসা করার মত পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে দেশের রাজধানীতে। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর এই কথায় স্থানীয়দেব মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। যা আরও বিপজ্জনক বলেও তিনি মনে করেন। তবে তবে দিল্লির বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগের তেমনও কোনও কারণ নেই। তিনি আরও বলেন অনুমান সঠিক বা ভূল সেই প্রসঙ্গে তিনি এখনও কোনও মন্তব্য করবেন না। পাশাপাশি জানিয়েছেন কিছু লোক যাঁরা দিল্লিতে থাকতেন না তাঁরা এখন ফিরেছেন। তাই কিছুটা ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তিনি দিল্লিবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি রয়েছে তাতে দিল্লিতে জুলাইয়ের শেষে আক্রান্তের সংখ্যা সাড় পাঁচ লাখে পৌছাবে না।  

অমিত শাহ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত মহামারি গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে উন্নীত হয়নি। কারণ তিনি নীতি আয়োগের আধিকারিক ডক্তর পাল, আইসিএমআর-এর প্রধান চিকিৎসক ভার্গব ও এইম-ের ডিরেক্টর চিকিৎসক গুলেরিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা সকলেই আশ্বস্ত করেছেন যে দিল্লিতে সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। পরীক্ষা সংখ্য়া বাড়ানো হয়েছে। এখন প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার মানুষের নমুনা পরীক্ষা হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। ৩০ জুনের মধ্যে সমস্ত সীমাক্ষীর কাজ শেষ করা হবে। ইতি্মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়ে গেছেও বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলার করার জন্য  দিল্লিকে চিকিৎকেন্দ্রগুলিতে শয্যার সংখ্যা বাড়ান হয়েছে। কনটাইনমেন্ট জোনের সংখ্যাও বাড়ান হয়েছে।