কোভ্যাক্সিন (Covaxin) নিয়ে বিতর্কের মাঝেই আশার কথা শোনাল ইন্ডিয়ার কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর (ICMR)। সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, কোভ্যাক্সিন ব্রিটেনে সন্ধান পাওয়া করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেনের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর। সংস্থার পক্ষ থেকে একটি সমীক্ষা চালান হয়েছিল। তাতেই বিশেষজ্ঞরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন বলেও জানান হয়েছে। একই দাবি করেছে কোভ্যাক্সিন প্রস্তুকারক সংস্থা ভারতবায়োটেক। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক এটি। ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech), আইসিএমআর ও পুনের ন্যাশানাল ইনস্টিউট অব ভাইরোলজির উদ্যোগে এই টিকা তৈরি হয়েছে। 

মার্চে শেষ হবে করোনা, জন্ম তার শরীর থেকে, হাসপাতালে গিয়ে বলল সন্তান 'হত্যাকারী' মা ..

একা অভিনেতা দীপ সিধু নয়, কৃষকদের প্যারেডে হিংসার ঘটনায় হাত ছিল এক গ্যাংস্টারেরও .
আইসিএমআর, ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বিজ্ঞানীরা ব্রিটেনের করোনাভাইরাসের স্ট্রেনে আক্রান্ত ২৫ জনের ওপর এই টিকা প্রয়োগ করেছিলেন। তাতে দেখা গেছে প্রতিষেধকটি যাথাযথ কাজ করেছে। প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই সদর্থক ফল পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ভারত বায়োটকের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে জানান হয়েছে, কোভ্যাক্সিন অত্যন্ত কার্যকারী, যুক্তরাজ্যের করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে এটি অত্যান্ত কার্যকরী বলেও জানান হয়েছে। 

ভারতে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জনের দেশে ব্রিটেনের করোনাভাইরাসের স্ট্রেনের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি এটি উহানে পাওয়া করোনাভাইরাসের থেকেও অনেকটাই বেশি শক্তিশালী। এটি দ্রুততার সঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিয়ে পারে। কোভ্যাক্সিনের আগেই মার্কিন সংস্থা ফাইজার ইনক দাবি করেছিলেন তাদের তৈরি টিকাও ব্রিটিনের করোনা-স্ট্রেনের ক্ষেত্রে অত্যান্ত কার্যকরী। 

কোভ্যাক্সিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এখনও পর্যন্ত চলছে। সম্পূর্ণ ফলাফল না আসার আগেই জরুরি ব্যবহারের জন্য ছাড়া দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোভ্যাক্সিন টিকা ব্যবহারকারীর কোনও বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। ইতিমধ্যে ২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা প্রদান করা হয়েছে। দিল্লিতে মোট ৬টি হাসপাতালে এই টিকা প্রদান করা হচ্ছে।