Asianet News BanglaAsianet News Bangla

ভারতে শুরু হয়ে গিয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ, মমতার ধাক্কায় অবশেষে বড় স্বীকার কেন্দ্রের

ভারতে শুরু হয়ে গিয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ

অবশেষে স্বীকার করল কেন্দ্রীয় সরকার

তবে তা কয়েকটি রাজ্যের সীমিত কয়েকটি জেলায় সীমাবদ্ধ বলে দাবি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধাক্কাতেই কি এই স্বীকারোক্তি

 

Covid 19 community transmission started in India, admits Harsh Vardhan ALB
Author
Kolkata, First Published Oct 18, 2020, 4:49 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

ভারতে প্রথম করোনাভাইরাস রোগী ধরা পড়েছিল গত ৩০ জানুয়ারি। তারপর থেকে আট মাসের বেশি কেটে গিয়েছে। অগাস্টেই দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যায় বিশ্বের মধ্যে শীর্ষে উঠেছিল ভারত। এতদিনে দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘটার কথা স্বীকার করল কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার হর্ষ বর্ধন বলেন, সীমিত সংখ্যক রাজ্যের কয়েকটি জেলায় কোভিড-১৯ ভাইরাস গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘটেছে বটে, তবে দেশব্যাপী এটা হচ্ছে না।

সম্প্রতি দুর্গাপূজার আগ দিয়ে বাংলার জনগণকে সতর্ক করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, রাজ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় কোভিড-১৯ গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘটেছে। এই বিষয়ে এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কয়েকটি ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে গোষ্ঠী সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরক্ষণেই তিনি বলেন, 'বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন পকেট থেকে গোষ্ঠী সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। এটি সারা দেশে ঘটছে না।'

Covid 19 community transmission started in India, admits Harsh Vardhan ALB

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক আগেই, জুলাই মাসে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন তাঁর রাজ্যে গোষ্ঠী সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। পুঁথুরা এবং পুলিভিলা নামে কেরলের দুটি উপকূলীয় জনপদে গোষ্ঠী সংক্রমণ ঘটেছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। গত জুলাই-আগস্ট মাসে বিজেপি শাসিত অসমের সরকারও সরাসরি না বললেও ঠারে ঠারে গোষ্ঠী সংক্রমণের বিষয়টি মেনে নিয়েছিল। এতদিনে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্বীকার করা হল।

বস্তুত, শুধু কোভিড-১৯ই নয়, যে কোনও মহামারি রোগেরই সংক্রমণের চারটি পর্যায় থাকে। প্রথম পর্যায়ে রোগটি আসে বাইরে থেকে। ভারতের যেমন প্রথম নিশ্চিত হওয়া রোগী ফিরেছিলেন চিন থেকে। প্রথম দিকের সব রোগীরই বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস ছিল। দ্বিতীয় পর্যায়টি হ'ল 'লোকাল ট্রান্সমিশন' অর্থাৎ বিদেশ ভ্রমণ করেননি এমন মানুষ সংক্রামিত হতে সুরু করেন। ভারতে দেশব্যপী লকডাউন জারির আগে থেকেই এই ধরণের সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছিল। তৃতীয় স্তরটি হল 'গোষ্ঠী সংক্রমণ', যেখানে সংক্রমণের উত্স সহজে সনাক্ত করা যায় না। আর চতুর্থ স্তরটি হল মহামারি।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios