অক্সফোর্ডের তৈরি কোভিশিল্ড এবং দেশিয় সংস্থা ভারত বায়োটেক-এর তৈরি কোভ্য়াক্সিন - দুটি টিকা অনুমোদন পেয়েছে ভারতে। কিন্তু, কোন টিকাটি নেবেন, আপাতত তা বেছে নেওয়ার কোনও সুযোগ পাবেন না টিকা গ্রহিতারা। সরকারের পক্ষ থেক যাকে যে ভ্য়াকসিন দেওয়া হবে, সেটি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদনের সীমাবদ্ধতা যতদিন থাকবে, ততদিন এই ব্যবস্থা চালু থাকবে।

এদিন এই বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ বলেন, বিশ্বের অনেক জায়গাতেই একাধিক ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, কোনও দেশেই টিকা গ্রহণকারীরা, তাঁরা কে কোন সংস্থার তৈরি টিকা নেবেন, তা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। রাজেশ ভূষণ আরও জানান, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের মধ্যে ২৮ দিনের ব্যবধান থাকবে। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১৪ দিন পর টিকার কার্যকারিতা দেখা যাবে। তাই টিকাদান শুরু হতেই ভারতবাসীকে আত্মতুষ্ট হয়ে কোভিড বিধি ত্যাগ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। হাত জোড় করে তিনি বলেন, 'টিকাকরণের পরও সকলকে যথাযথ কোভিড আচরণ অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করছি"।

রাজেশ ভূষণ এদিন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ৫৫.৭২ লক্ষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডোজ, নির্ধারিত জাতীয় ও রাজ্য-স্তরের ভ্যাকসিন স্টোরগুলিতে পৌঁছে গিয়েছে। শনিবার থেকে করোনভাইরাস টিকাকরণ অভিযান শুরু হবে। তার আগে ১৪ জানুয়ারির মধ্যেই সমস্ত নির্ধারিত জাতীয় ও রাজ্য-স্তরের ভ্যাকসিন স্টোরগুলিতে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া থেকে কোভিশিল্ডের ১.১ কোটি ডোজ এবং ভারত বায়োটেকের কোভাক্সিনের ৫৫ লক্ষ ডোজ পৌঁছে যাবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন প্রথমে দেশের ১ কোটি স্বাস্থসেবা কর্মী ও ২ কোটি অন্য়ান্য ফ্রন্টলাইন কর্মী -  কোভিড লড়াইয়ে সামনে থাকা এই মোট ৩ কোটি কর্মীকে টিকা দেওয়াই ভারতের অগ্রাধিকার।