মঙ্গলবার, কৃষি আইন প্রয়োগে স্থগিতাদেশ জারি করে কৃষক সমস্যা সমাধানে, সরকার ও কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতার জন্য সুপ্রিম কোর্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু, সেই কমিটি তারা মানবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কৃষক সংগঠনের নেতারা। তারা বলেছে, ওই কমিটির সামনে আলোচনার জন্য তারা উপস্থিত হবে না এবং তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এদিন, সুপ্রিম কোর্টের রায় জানার পর ক্রান্তিকারি কিষাণ সংগঠনের প্রধান দর্শন পাল বলেছেন, তাঁরা আগেই জানতেন, কেন্দ্রের কাঁধ থেকে এই কৃষক সমস্যার বোঝা নামাতে সুপ্রিম কোর্ট তাদের একটি কমিটি দেবে। তাঁরা সোমবার রাতেই জানিয়েছিলেন, মধ্যস্থতার জন্য সুপ্রিম কোর্টের গঠিত কোনও কমিটি তাঁরা গ্রহণ করবেন না। প্রতিবাদী কৃষকর দাবি, কমিটি-র সব সদস্যই সরকারের সমর্থক এবং সরকারি কৃষি আইন-কে তারা ন্যায্য বলে মনে করেন।

এদিন সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে যে কমিটি তৈরি করা হয়েছে, সেই কমিটিতে রাখা হয়েছে, ভারতীয় কৃষক সংগঠনের সভাপতি ভূপিন্দর সিং মান, আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডক্টর প্রমোদ কুমার যোশি, কৃষি অর্থনীতিবিদ অশোক গুলাটি এবং মহারাষ্ট্রের শিবকেড়ি সংগঠনের অনিল ধনবত-কে।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে একটানা দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তের সিংঘু-তে কেন্দ্রের নযা প্রবর্তিত ৩ কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন কৃষকরা। কেন্দ্রের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর কোনও সমাধান না মেলায় এদিন সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতা করার জন্য এই কমিটি তৈরি করে। সেইসঙ্গে, বিষয়টির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কৃষি আইন প্রয়োগে স্থগিতাদেশ-ও জারি করেছে আদালত।