হায়দরাবাদে তরুণী পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দুজন ট্রাক চালক ও দুজন তাদের সহযোগী। ধৃতদের নাম মহম্মদ (২৬), জল্লু শিবা (২০), জল্লু নবীন (২০) ও চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশাভুলু (২০)। ২০১২ সালের দিল্লির নির্ভয়া গর্ণধর্ষণের স্মৃতিকে উসকে দিয়েছে হায়দরাবাদের নৃশংস এই ঘটনা। 

বৃহস্পতিবার সকালে সামসাবাদের কাছে একটি কালভার্টের নীচ থেকে পশুচিকিৎসক তরুণীর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। বছর ছাব্বিশের ওই তরুণীকে বুধবার রাতে গণধর্ষণের পর নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে গোটা দেশ। নিভর্য়াকাণ্ডের সাত বছর পরেও বদলায়নি নৃশংস ধর্ষণের সংস্কৃতি। 

এদিকে এই ঘনার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সামসাবাদেই আরও এক মহিলার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছে। দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

সাইবারাবাদের পুলিশ কমিশনার বিসি সজ্জন জানান, সামসাবাদে আরও এক মহিলার দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছে। মহিলার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠান হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। 

সাইবেরাবাদ টোলপ্লাজার কাছে এই ধরণের নৃশংস ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাপে পড়েছে তেলেঙ্গানা প্রশাসন। মহিালদের নিরাপত্তা নিয়ে  প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে  কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সরকারকে।