Dawood Ibrahim in Dhurandhar 2: বড়সাহেবের চেহারা এবং কথা বলার ধরনের সঙ্গে পাকিস্তানের মাটিতে লুকিয়ে থাকা মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের অনেকটাই মিল রয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বক্স অফিসে ধুরন্ধর-২ ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পরেই, ফের একবার নতুন করে মুম্বইতে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে ডি-কোম্পানি।
Dawood Ibrahim in Dhurandhar 2: সিনেমা তাঁর পছন্দ হয়নি! বলছে সূত্র। পাকিস্তানে তিনি মৃত্যুশয্যায়! তারপরেও ভারত বিরোধী নাশকতায় মদত দিচ্ছেন দাউদ ইব্রাহিম। বলিউডের স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর-২: রিভেঞ্জ’-এ এমনই একটি চরিত্র দেখা গেছে (dhurandhar dawood ibrahim real story)। যদিও এখানে নামটা একটু আলাদা। সবাই তাঁকে বড়সাহেব বলে ডাকছেন। সেই সিনেমা দেখেই ক্ষেপে লাল দাউদ গ্যাং (dawood ibrahim news latest)!

এই মুভির পরিচালক আদিত্য ধর এবং তাঁর টিম। শোনা যাচ্ছে, বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছে ডি কোম্পানি। কারণ, বড়সাহেবের চেহারা এবং কথা বলার ধরনের সঙ্গে পাকিস্তানের মাটিতে লুকিয়ে থাকা মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের অনেকটাই মিল রয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বক্স অফিসে ধুরন্ধর-২ ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পরেই, ফের একবার নতুন করে মুম্বইতে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে ডি-কোম্পানি।
ধুরন্ধর-২ দেখে ক্ষেপে লাল দাউদ গ্যাং!
অর্থাৎ, নিজেদের উপস্থিতি প্রমাণ করার চেষ্টা। প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে মুম্বইতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, অস্ত্র এবং জাল নোট সরবরাহ সহ একাধিক ঘটনায় যুক্ত থাকা দাউদ ইব্রাহিম অনেকদিন ধরেই করাচির বাসিন্দা বলে দাবি করে আসছে দিল্লি। ২০২০ সালে, করাচিতে দাউদের ঠিকানার কথা পাকিস্তানও নিজে জানায়।
তবে সেই ঠিকানা কয়েক বছর আগেই ইসলামাবাদের হাতে তুলে দেয় ভারত। সেখানে পরিষ্কার জানানো হয়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের একেবারে নাকের ডগাতেই বসে রয়েছেন দাউদ। এমনকি, ক্রিকেট ম্যাচ ফিক্সিং গ্যাং চালানোর অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ভারতের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে নিরাপত্তা দিচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই।
মুম্বইতে বাড়ছে সক্রিয়তা? রিপোর্ট দিল ইন্টেলিজেন্স
যদিও ইসলামাবাদ দাবি করেছে, দাউদ ইব্রাহিম এখন পাকিস্তানে নেই। ডি-কোম্পানির সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হলেন শাকিল শেখ ওরফে ছোটা শাকিল। পাকিস্তান এবং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে তাঁর নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে বলে রিপোর্ট দিয়েছে ইন্টেলিজেন্স।
দাউদের ভাই আনিস ইব্রাহিম ওরফে ছোটা আনিস এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ দুই সঙ্গী, জাভেদ প্যাটেল ওরফে জাভেদ চিকনা এবং ইব্রাহিম মুস্তাক আব্দুল রজ্জাক মেমন ওরফে টাইগার মেমনেরও নাম রয়েছে দাউদ বাহিনীর সক্রিয়দের তালিকায়। ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট বলছে, মুম্বইতে গ্রাউন্ড নেটওয়ার্ক সক্রিয় করার সাম্প্রতিক চেষ্টা চালাচ্ছে দাউদ গ্যাং।
ফের কি সক্রিয় হয়ে উঠবে মুম্বই আন্ডারওয়ার্ল্ড? এইরকম মুভমেন্টের নেপথ্যে নতুন কোনও ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে সেই গোয়েন্দা রিপোর্টে। সূত্রের খবর, ডি-কোম্পানি নতুনভাবে সদস্য সংগ্রহ এবং নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ করছে। সেই দায়িত্ব পেয়েছেন দাউদের বিশ্বাসভাজন শার্প শ্যুটার মুন্না ঝিঙ্গাদা।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

