রবিবারই পাক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মুখের উপর জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনি। নিয়ন্ত্রণ রেখার ওইপারে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম ভ্যালিতে হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ৪-৫টি জঙ্গি ঘাঁটি। আর তারপর দিনই সোমবার (২১ অক্টোবর) পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে পার্বত্য এলাকা জুড়ে থাকা বিস্তৃর্ণ সীমান্ত সুরক্ষিত করতে বড় একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আকাশ প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রের দুটি রেজিমেন্ট সীমান্তে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হতে পারে। ১৫০০০ ফুটের উর্ধে উচ্চস্থানে কাজে লাগে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

আলোচনা ইতিবাচক হলে এই ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন সংস্করণকে পাঠানো হবে লাদাখ উপত্যকায়। এই বিষয়ে ভারতীয় সেনার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। দুটি রেজিমেন্টের জন্য খরচ পড়বে ১০,০০০ কোটি টাকা। সেনার হাতে এখন যে ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তারই উন্নত সংস্করণ এই নতুন আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এটি তৈরি করেছে ডিারডিও। আকাশপথে হামলা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে ধরা হয় এই ব্যবস্থাকে।

চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে বর্তমানে সেনার হাতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা আছে। কিন্তু সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করতে আরও দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রয়োজন বলে জানিয়েছিল সেনা। গত কয়েকদিন লাদাখেই ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। তারা ফিরলেই এদিন নয়াদিল্লি-তে ডিফেন্স অ্যাকুইজেশন কাউন্সিলের বৈঠকে এই প্রস্তাব নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।