LPG-র বিকল্প কেরোসিন, রান্নার জন্য চাহিদা তুঙ্গে হওয়ায় চড় চড় করে বাড়ছে দামও
Kerosene Price: কেন্দ্রীয় সরকার বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ এবার থেকে রেশন দোকানগুলিতে পাওয়া যাবে কেরোসিন। পাশাপাশি খোলাবাজারেও কেরোসিন বিক্রি হচ্ছে।

LPG-র আকাল
ইরান যুদ্ধের কারণে রান্নার গ্যাসের আকাল দেখা দিয়েছে গোটা দেশে। আঁচ পড়়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। এই অবস্থায় রান্নার জন্য বিকল্প খুঁজতে ব্যস্ত গৃহিনীরা। সেখানেই উঠে আসছে নানান বিকল্পের কথা।
রান্নার গ্যাসের বিকল্প
রান্নার গ্যাসের বিকল্প হিসেবে অনেকেই কেরসিনের খোঁজ খবর নিতে শুরু করেছে। কারণ গ্যাসের বদলে স্টোভের ব্যবহার করা অনেকটাই সহজ বলেও মনে করা হচ্ছে। তাই শুরু হয়েছে কেরসিনের খোঁজ খবর।
কোথায় পাওয়া যাবে ?
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ এবার থেকে রেশন দোকানগুলিতে পাওয়া যাবে কেরোসিন। পাশাপাশি খোলাবাজারেও কেরোসিন বিক্রি হচ্ছে।
কেরোসিনের দাম
রান্নার জন্য বিকল্প হিসেবে বর্তমানে কেরোসিনের চাহিদা তুঙ্গে। এই অবস্থায় খোলা বাজারে কেরোসিনের দাম ১০০ টাকা প্রতি লিটার। আগামী দিনে চাহিদা বাড়লে দাম আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। রেশন দোকানে কেরোসিনের দাম ৫১টাকা ৯৩ পয়সা থেকে ৫৫ টাকা।
কেরোসিন বিলি
গ্যাসের আকালে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিতে কেরোসিন বেশি করে পাঠাতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলির জন্য অতিরিক্ত ৪০ হাজার কিলো কেরোসিন বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর কয়েক দিনের মধ্যেই রেশন দোকানে কেরোসিনের বন্টন শুরু হবে। পাশাপাশি খোলাবাজারেও কেরোসিন সহজে পাওয়া যাবে।
কেরোসিনের ব্যবহার বন্ধ
পরিবেশ দূষণের কারণ দেখিয়ে রেশনে কেরোসিন সরবরাহ কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে কেরোসিন তেলকে রেশন দোকানে ফেরানোর আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে চিঠি লেখে ‘অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন। সেই চিঠির ভিত্তিতে পুনরায় রেশন দোকানে ফিরে এল কেরোসিন।
কেরোসিন পাওয়ায় খুশি রেশন দোকানিরা
কেন্দ্রীয় সরকার কেরোসিনকে রেশন দোকানে বিক্রির ছাড়পত্র দেওয়ায় খুশি রেশন দোকানিরা। এক দোকানি জানিয়েছে, গ্যাসের দাম আকাশ ছোঁয়ায় তাঁরা চাইবেন আপাতত কেরোসিন যেন রেশন দোকান থেকে বিলি করা যায়।
LPG বুকিং-এর নতুন নিয়ম
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, গ্রামাঞ্চল ও অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকায় দুটি LPG বুকিং-এর মধ্যে অন্তত ৪৫ দিনের ব্যবধান রাখা হবে। আর শহরে এই সময়সীমা ২৫ দিনের।
নতুন নিয়মের কারণ
মূলত রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল দুটি রান্নার গ্যাস বুকিং-এর মধ্যে কমপক্ষে ২১ দিনের ব্য়বধান থাকতে হবে। নতুন নিয়মে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২৫ দিন।
ঘাটতি নেই !
লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে দেশে জ্বালানির তেমন সংকট নেই। আতঙ্কিত হওয়ারও কারণ নেই। কেন্দ্রীয় সরকার কালোবাজারি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

