সামনেই দিল্লি বিধানসভা ভোট। এর মধ্যে নাগরকিত্ব আইনের প্রতিবাদে রাজধানী জুড়ে চলছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। যাকে নিজেদের নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার করছে কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির মত বিজেপি বিরোধী দলগুলি। যাতে যথেষ্টই ব্যাকফুটে বিজেপি নেতৃত্ব। এর মধ্যেই মহাত্মা গান্ধীর প্রায়ণ দিবসে দিল্লির রাস্তার বন্দুকধারীর দাপাদাপি। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের দিকে বন্দুক উঁচিয়ে তেড়ে যায় ওই ব্যক্তি। 

অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে দিল্লি পুলিশ।  সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে হিন্দুত্বপন্থী বলেই দাবি করেছে ওই ব্যক্তি। এদিকে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে জামিয়ার পড়ুয়াদের বিক্ষোভে বন্দুক নিয়ে তেড়ে যাওয়া ওই ব্যক্তি আম আদমি পার্টির সমর্থ বলে দাবি করলেন মনোজ তিওয়ারি। পাশাপাশি হামলাকারী শাহিনবাগের আন্দোলনকারীও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিল্লি বিজেপির সভাপতি। নির্বাচনের আগে বিজেপিকে বদনাম করতেই বিরোধীরা এই প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ মনোজের।

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে প্রতিবাদ আন্দোলন চলছে রাজধানীর শাহিনবাগ এলাকায়। প্রচুর মহিলা অংশ নিচ্ছেন এই কর্মসূচিতে। নির্বাচনের আগে শাহিনবাগের এই আন্দোলন মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিজেপির কাছে। শাহিনবাগের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে কটাক্ষ করেছেন একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। 

এদিকে বেঙ্গদালুরুতে নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় জড়ো হওয়া পড়ুয়াদের দিকে উড়ে এল হুমকি। জামিয়া মিলিয়ার মত গুলি চালনার ঘটনা এবার টেক সিটিতেও ঘটবে বলে হুমকি দিয়েছে ওই দুই ব্যক্তি। যদিও ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বেঙ্গালুরুর মৌর্য সার্কেলে জামিয়া মিলিয়ায় গুলি চালানোর ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে জড়ো হয়েছিলেন শহরের বিভিন্ন কলেজের পড়ুয়ারা। আন্দোলনকারীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগন দিতে থাকেন। অনুরাগ ঠাকুরের বিতর্কিত মন্তব্যেরও প্রতিবাদ জানানো হয়।