যখন সারা দেশ বলিউডের মাদক চক্র নিয়ে চর্চায় মেতে, তখনই দিল্লি পুলিশের মুখ পোড়ালো তাদের চার কর্মকর্তা। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এক গাঁজা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তারা ১৬০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করেছিল। কিন্তু, মাত্র ১ কেজি গাঁজার কথা রিপোর্ট করেছিল। আর বাকিটা নিজেরাই বেচে দিয়েছিল। শুধু তাই নয, সেই গাঁজা ব্যবসায়ীকেও তারা ঘুস নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর দিল্লির জাহাঙ্গীরনগর থানার পুলিশের অভিযানে ১৬০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। ধরা পড়েছিল সেই অনিল নামে সেই গাঁজা বিক্রেতাও। ওড়িশা থেকে সে ওই গাঁজা দিল্লিতে নিয়ে এসেছিল। জানা গিয়েছে গ্রেফতারির পরে অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ কর্তারা তাকে আইনটির পরিধির বাইরে 'বিষয়টি নিষ্পত্তি করার' প্রস্তাব দেয়। ১.৫ লক্ষ টাকা ঘুস দিয়ে সে ছাড়া পেয়ে যায়।

অনিল-কে ছেড়ে দেওয়ার পর ওই পুলিশ কর্তারা খাতায় মাত্র ১ কেজি গাঁজা উদ্ধারের কথা লেখে। আর বাকি ১৫৯ কেজি গাঁজা তারা বিক্রি করে সেই টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছিল। অভিযোগের আঙুল দুই সাব-ইন্সপেক্টর ও দুই প্রধান কনস্টেবলের দিকে। চারজনকেই সাসপেন্ড করা হয়েছে।

১৯৮৫ সালে, ভারতে নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রোপিক সাবস্টেন্স অ্যাক্ট পাস করেছিল। সেই আইন অনুযায়ী, 'ভাং' বিক্রি করার অনুমতি দিলেও গাঁজা এবং চরস বিক্রি অপরাধ। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্য়ু রহস্যের তদন্ত করতে গিয়ে এখন বলিউডের বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিদের মাদর ব্যবহারের বিষয়টি সামনে উঠে এসেছে। এনসিবি-র পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই এই ঘটনায় বিবিন্ন সেলিব্রিটিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হচ্ছে।