পাকিস্তানের গুপ্তচরবৃত্তি করার অভিযোগে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার এক চুক্তিবদ্ধ ফটোগ্রাফারকে ওড়িশার একটি আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ফটোগ্রাফার পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার আইএসআই বা ISI কে চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময়ে তোলা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছবি পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ। 


সাজাপ্রাপ্ত ফটোগ্রাফার ৪১ বছরের ঈশ্বর বেহেরা  ওড়িয়ার চাঁদিপুরে ডিআইডিও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় সিসিটিভি স্টেশনে চুক্তিবদ্ধ ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেছিল।  সূত্রের খবর বেহেরা মিসাইল পরীক্ষার সাইটগুলির কাছাকাছি গিয়ে ভিডিও ছবি তুলেছিল। তারপরেই সে জানিয়েছিল তার ক্যামেরাটি খারাপ হয়ে গেছে। এই অজুহাতে কলকাতা রওনা দেয়। কলকাতাতেই ভিডিও ও দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি আইএসআই এজেন্টদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। 

FIR-এর এক দিনের মধ্যেই ঢোক গিলল উত্তর প্রদেশ পুলিশ,মুছে ফেলা হল সুন্দর পিচাই-র নাম ...

ভারতের মহাকাশচারীদের মহাকাশের মেনু কার্ড, রয়েছে খিচুড়ি থেকে বিরিয়ানি এমনকি আচারও ..

বিচারের সময় আদালতে সরকারি পক্ষের উকিল দাবি করেছিলেন অভিযুক্ত বেহেরা আইএসআই-এর হ্যান্ডেলারদের সঙ্গে কমপক্ষে ১০ বার দেখা করেছিল। আবুধাবি, মুম্বই, মীরাট, অন্ধ্র প্রদেশ ও বিহার থেকে তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠান হয়েছিল।গ্রেফতারের আগে বেহেরার ওপর বেশ কয়েক মাস ধরেই নজর রাখছিল ভারতীয় গোয়েন্দা ব্য়ুরো। একটি সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে বেহেরার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২১এ (গুপ্তচর)  ও ১২০ বির অধীনে ও ৩,৪,৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টেও মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আদালক তারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছ বিচারক গিরিজা প্রসাদ মহাপাত্র দোষী ব্যক্তির কাজকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। একই সঙ্গে এজাতীয় লোকেদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতের এজাতীয় এক দল মানুষ রয়েছে যারা প্রতিপদক্ষেপে নিয়মিত শত্রুপক্ষের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে দিচ্ছে। বেহেরার মত মানুষরা দেশের পক্ষে বিপজ্জনক বলেও দাবি করেছেন তিনি।