দেশের অন্যতম সস্তার উড়ান সংস্থা ইন্ডিগো। অসম-সহ উত্তরপূর্বের বেশ কয়েকটি রাজ্যে উড়ান পরিষেবা দিয়ে থাকে তারা। বর্তমানে নাগরিকত্ব বিল বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে অসমে যে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাতে বৃহস্পতিবারের জন্য অসমের দুই জেলায় উড়ান পরিষেবা বন্ধ করে দিল তারা। তবে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে কম ভাড়ার বিশেষ বিমান চালানো হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।   

এদিন ইন্ডিগো সংস্থা এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেো জানায় গুয়াহাটি এবং ডিব্রুগড়গামী সবকটি বিমান বাতিল করা হয়েছে। জোড়াহাটগামী কোনও বিমান বাতিল না হলেও উড়ানের সূচি পরিবর্তন হয়েছে। ওই দুই জায়গায় আটকে থাকা যাত্রীদের কম ভাড়ায় বিশেষ বিমানে উড়িয়ে আনা হবে। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) পর্যন্ত যাত্রীদের গুয়াহাটি, ডিব্রুগড় এবং জোড়াহাটের বাতিল কিংবা সময় পরিবর্তিত হওয়া বিমানের ভাড়া ফেরত দিয়ে দেবে তারা।

বিমান পরিষেবা ফের কবে স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়ে এখনই কিছু জানাতে পারেনি সংস্থা। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপডেট দেওয়া হবে  জানিয়েছে তারা। এছাড়া গ্রাহক পরিষেবা বিভাগে ফোন করেও উড়ানের অবস্থা জেনে নেওয়া যেতে পারে।

শুধু ইন্ডিগো-ই নয়, এখনও রাষ্ট্রায়ত্বে থাকা এয়ার ইন্ডিয়া-ও অসমের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, বহু যাত্রীই রিবুকিং, তারিখ পরিবর্তন, বা টিকিট বাতিল করতে চইছেন। সেকানকারস পরিস্থিতি বিবেচনা করে সংস্থা ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৫-ই ডিসেম্বরের মধ্যে গুয়াহাটি, ডিব্রুগড়, লীলাবাড়ি, তেজপুর, ও আগরতলাগামী সমস্ত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়ানের রিবুকিং, তারিখ পরিবর্তন, বা টিকিট বাতিল-এর ক্ষেত্রে ভাড়া মকুব করে দেবে। এই বিমানবন্দরগুলি থেকে রওনা দেওয়া বিমানগুলির ক্ষেত্রেও একই কাজ করা হবে।

নাগরিকত্ব বিল বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এখন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি অসমে। বুধবার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে উঠেছে। রাতে মুখ্যমন্ত্রী -সহ একাধীক বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা হয়েছে। দুয়াহাটি ডিব্রুগড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফু জারি করা হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রয়েছে।