শুক্রবার সকালে ওড়িশায় আছড়ে পড়ে ফণী। ভয়ে রীতিমতো ত্রস্ত ওড়িশা ও বাংলার মানুষ। বাংলাতেও শুরু হয়ে গিয়েছে প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া। ফণীর আতঙ্কের মাঝেই কেঁপে উঠল হিমাচলের বেশ কিছু অংশ। 

হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সিমলা-সহ হিমাচলের বেশ কিছু অংশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভোর ৪টে নাগাদ হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডি জেলা কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে এর কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.২। তবে কম্পনের জেরে এখনও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবকক পাওয়া ‌যায়নি। 

বৃহস্পতিবারই ফণী সাইক্লোনেক সঙ্গে ভূমিকম্পের জন্য়ও সর্তক করা হয়েছিল। নেদারল্য়ান্ডস-এর সংস্থা ডিট্রিনিয়াম এই ভূমিকম্পের র্পূবাভাস দিয়েছিল। গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান দেখে তারা এই ভূমিকম্পের র্পূবভাস দেয়। তারা জানায় শুক্রবার বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে প্রবল ভূমিকম্প হতে পারে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৮ র্পযন্ত হতে পারে। 

ফণীর সঙ্গে ভূমিকম্পের এমন র্পূবাভাসে রীতিমতো ত্রস্ত মানুষ। শুক্রবার দুপুর ৩টে নাগাদ ফণী আসার কথা জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। কিন্তু সকাল ৮টা ৫০-এই শুরু হয়ে যায় এই বিধ্বংসী ঝড়ের তাণ্ডব। তার পরেই ফণীর নিশানায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। যদিও সকাল ১০ টা থেকে কলকাতা-সহ বাংলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি ও ঝোড়া হাওয়া। এই বৃষ্টির পরিমাণ শনিবার সকাল থেকে আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

সকাল ৮টা থেকে মন্দারমণি অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। দিঘা-শঙ্করপুর খালি করে র্পযটকদের সরানোর ব্য়বস্থা করা হচ্ছে। এসবিএসটিসি র্পযটকদের জন্য ৫০ টি বাসের ব্যবস্থা রেখেছে।  মৎস্য়জীবীদের সর্তক করা হয়েছে। 

ফণীর জন্য় ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকছে নবান্নর কন্ট্রোল রুম। কলকাতা-সহ রাজ্য়ের বেশ কিছু এলাকায় মাইকিং-এর মাধ্য়মে মানুষকে সর্তক করা হয়েছে।