ফেসবুকের ভারতের প্রধান নীতি নির্ধারক আঁখি দাসকে বৃহস্পতিবার টানা দুঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে সংসদীয় কমিটি। সূত্রের খবব আঁখি দাসের সঙ্গে ফেসবুকের ব্যবসায়ীক প্রধান অজিত মেনন এদিন সংসদীয় কমিটির সামনে হাজির হয়েছিলেন। তাঁদের দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। তাঁদের বলা হয়েছে  বিজ্ঞাপন বা ব্যবসার বা নির্বাচনের মত বিষয়গুলির ক্ষেত্রে কোনও ধরনের অনুমানমূলক উদ্দেশ্যে তাঁরা নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন না। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হয়েছে রাজনৈতিক দলের  সাংসদরা তাঁদের আয়ের কত তথ্য সুরক্ষার জন্য ব্যয় করছে। 


ভারতে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩০ মিলিয়নেরও বেশি। বলা যেতে পারে ফেসবুকের বৃহত্তম বাজারও ভারত। আর সেই কারণে ফেসবুক ভারত থেকে কত টাকা আয় করে বা কত টাকা কর হিসেবে দেয় তাও পরিষ্কার করে জানতে চাওয়া হয়েছে। যৌথ সংসদীয় কমিটি ফেসবুক, ট্যুইটার আর অ্যামাজনকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির উত্থাপিত উদ্বেগের পরে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিল ২০১৯ খতিয়ে দেখে তথ্যের সুরক্ষা আর গোপনীয়তার বিষয়ে আলোচনা করতে বলেছে। 

উৎসবের মরশুমে চোখে জল আনছে পেঁয়াজ, আরও অশনি সংকেত দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা ...

লিভ ইন সম্পর্ক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা, মেয়েদের বিয়ের বয়স না বাড়ানোর আর্জি .


এদিন ফেসবুকের পাশাপাশি ট্যুইটার আর অ্যামাজনকে ডেকে পাঠিয়ে ছিল সংসদীয় কমিটি। এই দুটি সংস্থার কর্তাব্যক্তিদের আগামী ২৮ অক্টোবর হাজার হতে বলা হয়েছে। যদিও অ্যামাজনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমানে তাদের সংস্থার কর্তারা বিদেশে রয়েছেন। সেই কারণেই এখনই হাজির হওয়া সম্ভব নয়। করোনাভাইরাসের কারণে বিধিনিষেধ থাকায় সংস্থার আধিকারিকরা হাজির হতে পারছেন না। সূত্রের খবর অ্যামাজনের এই প্রত্যাক্ষণকে ভালোভাবে নেয়নি সংসদীয় কমিটি। প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা না হলে আগামী দিনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান হয়েছে। গতবছর সংসদে তথ্যের সুরক্ষা আর গোপনীয়তা বিষয়ক বিলটি খসড়া প্রবর্তন করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেছিলেন এটি সরকারকে বেনামে ব্যক্তিগত ও অ-ব্যক্তিগত তথ্য হিসেবে ফেসবুক, গুগুল, অন্যান্যদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা দিয়েছে।