কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে ভিন্নমত কংগ্রেসের অন্দরে বুড়ো নেতারা বিরোধিতার পক্ষে তরুণ নেতাদের মত বিরোধিতা সঠিক নয় একমত হতে ডাকা হল জম্মু কাশ্মীর নিয়ে বিশেষ বৈঠক 

কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল সমর্থন করা না করা নিয়ে এখনও একমতে পৌঁছতে পারছে না কংগ্রেস। বুড়ো নেতা ও তরুণ নেতাদের ভিন্নস্বরে আপাতত দ্বিধাবিভক্ত নেতৃত্ব। তাদের একমতে আনে এইবার সক্রিয় হল নেতৃত্ব। দলের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল জানিয়েছেন, আগামী ১০ অগাস্ট ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। তার আগের দিনই জম্মু কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকা হল। সেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে সব রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি ও স্টেট ইনচার্জদের।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এর আগে গত মঙ্গলবার সোনিয়া গান্ধী, মনমোহন সিং, রাহুল গান্ধীদের উপস্থিতিতেই, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার বিষয়ে কংগ্রেস দলের বরিষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত তরুণদের বেশ উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে। একদিুকে গুলাম নবি আজাদ, পি চিদম্বরম, সংবিধানের ৩৭০ ধারাটির ইতিহাস, সাংবিধানিক বিভিন্ন বাধাবিপত্তি বোঝানোর চেষ্টা করেন।

অন্যদিকে জোতিরাদিত্যরা ৩৭০ ধারা বাতিল করার বিরোধিতার করা দলের উটিত হচ্ছে না বলে মত দেন। তাঁদের মতে বাস্তব পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে। জনগণের আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারোর কারোর মতে ৩৭০ দারা বাতিলের বিরোধিতাই যদি কংগ্রেসের দলীয় মত হয়, তাহলে তা জাতীয় স্বার্থ বিরোধী হবে। ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক এনপি সিং এই দাবি তুলে ইস্তফা দিয়েছেন।

এই বিতর্ক সামাল দিতে প্রাথমিকভাবে কংগ্রেস ৩৭০ ধারা বাতিলের সরাসরি বিরোধিতা করেনি। দলের পক্ষ থেকে ধারাটি বাতিল করার পদ্ধতির সমালোচনা করে বলা হয়েছে এটা একেবারেই একপাক্ষিক, নির্লজ্জ ও অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু এভাবে, 'ধরি মাছ, না ছুঁই পানি' করে বেশিদিন চালানো যাবে না বুঝতে পারছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাই, দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করতেই এই বিশেষ বৈঠক ডাকা হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।