প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সুরক্ষিত অবস্থায় দ্রুততার সঙ্গে প্রতিষেধকে বিতরণের জোর দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বৈজ্ঞানিক মাণদণ্ডে নিরাপদ এমন যে কোনও প্রতিষেধক এদেশে নাগরিকদের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।  তিনি আরও বলেন সবার জন্য দ্রুততার সঙ্গে প্রতিষেধক বিলি করাই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আর সুরক্ষিত প্রতিষেধক বিলি করার জন্য রাজ্যগুলিকে দ্রুততার সঙ্গে কোল্ড স্টোরেজ ও কোল্ড চেনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি ও প্রতিষেধক সরবরাহের পরিস্থিতি নিয়ে এদিনে দেশের করোনা ক্রমতালিকায় থাকা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত আটটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভার্চুয়ার বৈঠকে উপস্থিত সবকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি আক্রান্তদের দ্রুততার সঙ্গে চিহ্নিত করে চিকিৎসার কথাও বলেন তিনি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি অক্সিজেন ও ভেন্টিলেটরের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার কথাও বলেছেন। 

শীতকালেও পারদ চড়ছে ডোকলাম সীমান্তে, বাঙ্কার বানিয়ে যুদ্ধের ডঙ্কা বাজাচ্ছে ড্রাগনরা ...

প্রবল কান্না বাঁচিয়ে দিল পরিত্যক্ত কন্যা সন্তানকে, বাবা মায়ের নির্মমতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন ...
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন করোনা বিশ্বের ক্রমতালিকায় ভারতের অবস্থা যথেষ্ট ভালো। তিনি  বলেন দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থতার হার আশাপ্রদ। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর হার বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো। তিনি আরও বলেন এটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় ভারতের নাগরিকরা সংক্রমণের রুখতে যেথেষ্ট সচেতন। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কেন্দ্রীয় সরকার যথেষ্ট তৎপর বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনীয় সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিষেধক বিকাশকারী ও উৎপাদনকারী সকল সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশীয় সংস্থাগুলির পাশাপাশি বিদেশি সংস্থাগুলির সঙ্গেও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।এদিনের বৈঠকে মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রথম পর্বে প্রতিষেধক দেওয়া হবে দেশের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের। গুরুত্বপূর্ণদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পুলিশ ও সাফাইকর্মীরা। আর তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় রয়েছে ৫০ বছরের বেশি বয়স্কো মানুষরা।